• বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ১৫, ২০১৮
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৪৯ সকাল

বিশ্বে ক্ষুধার্ত মানুষের সংখ্যা বাড়ছে: জাতিসংঘ

  • প্রকাশিত ০৫:৪৪ সন্ধ্যা সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৮
hunger
ছবি- প্রতীকী। বিগস্টক

গবেষকরা বলছেন, বিশ্বের জলবায়ু চরমভাবাপন্ন হয়ে উঠেছে, বেড়ে গেছে বন্যা, তাপদাহ, ঝড়, খরা। আর তা ক্ষুধা মেটানোর শস্য উৎপাদন ব্যাহত করছে।

বিশ্বে ক্ষুধার্ত মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানানো হয়েছে জাতিসংঘের নতুন এক প্রতিবেদনে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগই এই সঙ্কটের প্রধান কারণ বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। খবর বিবিসি’র।

প্রতিবেদনে বলা হয়,২০১৭ সালে বিশ্বের ৮২ কোটি ১০ লাখ মানুষ ছিল অপুষ্টির শিকার। অর্থাৎ বিশ্বের প্রতি নয় জন মানুষের একজন প্রয়োজনীয় পুষ্টি পায় না।

আর পাঁচ বছর থেকে কম বয়সী শিশুদের মধ্যে ১৫ কোটির দৈহিক স্বাভাবিক বিকাশ আটকে আছে পুষ্টিহীনতায়। এই সংখ্যা বিশ্বের মোট শিশুর ২২ শতাংশ।

এই প্রতিবেদন তৈরিতে যুক্ত ব্যক্তিরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগই এই সঙ্কটের জন্য অনেকটা দায়ী।

প্রতিবেদনটি তৈরি করিয়েছে সম্মিলিতভাবে জাতিসংঘ খাদ্য ও কৃষি সংস্থা,বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি,ইউনিসেফ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল ।

গবেষকরা বলছেন, বিশ্বের জলবায়ু চরমভাবাপন্ন হয়ে উঠেছে, বেড়ে গেছে বন্যা, তাপদাহ, ঝড়, খরা। আর তা ক্ষুধা মেটানোর শস্য উৎপাদন ব্যাহত করছে।

তারা বলছেন,যেসব দেশে শস্য উৎপাদন প্রধানত বৃষ্টির পানির উপর নির্ভরশীল,বৃষ্টিপাতের তারতম্য সেসব দেশে পরিস্থিতি চরম অবস্থায় পৌঁছেছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের এই প্রভাবের সঙ্গে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে যুদ্ধ ও সহিংসতাও ক্ষুধার্ত মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়। এই সঙ্কট থেকে উত্তরণে বিশ্বের দেশগুলোর সমন্বিত চেষ্টা চালানোর উপর জোর দেওয়া হয় প্রতিবেদনে।