• বুধবার, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০১৮
  • সর্বশেষ আপডেট : ০১:২৩ রাত

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ

  • প্রকাশিত ০৮:৫৬ রাত সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৮
ICC
আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত। ছবি: সংগৃহীত

এই আদালত সাধারণত গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য দায়ীদের অভিযুক্ত করে থাকে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ এনেছে ফিলিস্তিন। ফিলিস্তিনের খান আল-আহমারে ইসরায়েলের অবৈধ বসতি স্থাপন ও ফিলিস্তিনি স্থাপনা ধ্বংসকে যুদ্ধাপরাধ উল্লেখ করে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিসি) এই অভিযোগটি করেছে ফিলিস্তিন। 

মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিডলইস্ট মনিটরের এক প্রতিবেদনের বরাতে জানা গেছে, বিশেষ করে অবরুদ্ধ পশ্চিম তীরে খান আল-আহমার গ্রামে চালানো ধ্বংসযজ্ঞ চালানোকে যুদ্ধাপরাধ বলে অভিযোগ করেছে প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন।

প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার এই অভিযোগ করা হয়েছে। প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশনের মহাসচিব সায়েব এরকাত বলেন, তারা আইসিসি বিচারক ফাতু নেসুদার কাছে অভিযোগ জমা দিয়েছেন।।

রামাল্লায় এক সংবাদ সম্মেলনে এরেকাত বলেন, খান আল-আহমারে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করা, জাতিগত নিধনযজ্ঞ ও বেসামরিকদের সম্পদ ধ্বংস করা হয়েছে। আমরা সেটিই তুলে ধরার চেষ্টা করছি। টুইটারে পিএলও নেগোশিয়েশন অ্যাফেয়ার্স বিভাগের একটি ভিডিও পোস্ট করেন তিনি।

একদিন আগেই মার্কিন নিরাপত্তা পরামর্শক জন বোল্টন হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছিলেন, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আইসিসিতে অভিযোগ করলে ভালো হবে না। তারা তাদের বন্ধু ও মিত্র ইসরায়েলকে সর্বাত্মক সমর্থন দেবে।

উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালের ১৭ জুলাই রোম স্ট্যাচু গৃহীত হয়। এ নীতিমালা অনুযায়ী আন্তর্জাতিক আদালত গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছিল। তবে রোম স্ট্যাচু কার্যকর করতে ১২০টি দেশের স্বীকৃতির প্রয়োজন ছিল। ১২০ দেশের স্বীকৃতির পর ২০০২ সালের ১ জুলাই থেকে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত তার কার্যক্রম শুরু করে। রোম স্ট্যাচুর প্রতি ১২৩ দেশের সমর্থন থাকলেও ৭০টি দেশ এতে অনুমোদন দেয়নি। যুক্তরাষ্ট্রও এ আদালতকে স্বীকৃতি দেয়নি। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন রোম নীতিমালায় স্বাক্ষর করলেও প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ তা প্রত্যাহার করে নেন। এই আদালত সাধারণত গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য দায়ীদের অভিযুক্ত করে থাকে।