• শুক্রবার, অক্টোবর ১৯, ২০১৮
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:২৩ রাত

রোহিঙ্গা ইস্যুতে আইসিসির তদন্ত শুরু

  • প্রকাশিত ০৩:৩০ বিকেল সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৮
রোহিঙ্গা
রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সংঘটিত অপরাধ গুলো যুদ্ধাপরাধ নাকি মানবতাবিরোধী অপরাধ তা নিয়ে আইসিসি তদন্ত শুরু করেছে।ছবি: এএফপি।

এর আগে, এই বিচার প্রক্রিয়ার সঙ্গে মিয়ানমারের জড়ানোর কোনই বাধ্যবাধকতা নেই বলে এক বিবৃতিতে অং সান সু চির কার্যালয় থেকে উল্লেখ করা হয়েছিল।

গত মঙ্গলবার আইসিসির (আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত) আইনজীবী ফাতো বেনসুদা জানিয়েছেন যে, রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সংঘটিত অপরাধ গুলো যুদ্ধাপরাধ নাকি মানবতাবিরোধী অপরাধ তা নিয়ে আইসিসি তদন্ত শুরু করেছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের একটি খবরে এসব বলা হয়েছে।  

উল্লেখ্য, এর আগে, এই বিচার প্রক্রিয়ার সঙ্গে মিয়ানমারের জড়ানোর কোনই বাধ্যবাধকতা নেই এবং এই বিচার প্রক্রিয়া ভবিষ্যতের জন্য কোনও ভালো দৃষ্টান্ত হবে না বলে এক বিবৃতিতে মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চির কার্যালয় থেকে উল্লেখ করা হয়েছিল। 

তবে, মায়ানমার সেনাবাহিনীর জোরপূর্বক রোহিঙ্গাদের দেশ থেকে বিতাড়িত করে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশে বাধ্য করানোর ঘটনাটি আইসিসির বিচার আওতাধীন কিনা তা জানতে চেয়ে ফাতো বেনসুদার করা আবেদনের প্রেক্ষিতে গত ৬ সেপ্টেম্বর নেদারল্যান্ডসের হেগে সংস্থাটির তিনজন বিচারক বিশিষ্ট প্রি-ট্রায়াল কোর্ট মায়ানমার না হলেও, বাংলাদেশ আইসিসির সদস্য হওয়ায় বিচারের পক্ষে রায় দেন। এতে করে ঘটনাটি আইসিসির তদন্তের আওতাধীন হয়ে যায় এবং বেনসুদার জন্যও তদন্তের পথ পরিস্কার হয়ে যায়।   

প্রসঙ্গত, প্রায় লাখ রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে এসে শরনার্থী হিসেবে অবস্থান করছে উল্লেখ করে মায়ানমারের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে গণহত্যা ও ধর্ষণের অভিযোগ করা হয় জাতিসংঘের একটি প্রতিবেদনে। প্রতিবেদনটিতে গণহত্যার অভিপ্রায় থাকায় মিয়ানমারের সেনাপ্রধান ও পাঁচজন জেনারেলকে বিচারের আওতায় আনা উচিৎ বলে মন্তব্য করা হয়। 

তবে শুরু থেকেই সব অভিযোগ মায়ানমার অস্বীকার করার কারণে এই তদন্ত কিংবা বিচারে আইসিসিকে মায়ানমার কোন শায্য করবেনা বলে ধারণা বিশেষজ্ঞদের।

সূত্র : বাংলা ট্রিবিউন।