• সোমবার, সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৫:১৫ সন্ধ্যা

সু চির নাগরিকত্ব প্রত্যাহার করছে কানাডা

  • প্রকাশিত ১১:৪৫ সকাল সেপ্টেম্বর ২৮, ২০১৮
মিয়ানমারের ডি ফ্যাক্টো নেত্রী অং সান সু চি।
মিয়ানমারের ডি ফ্যাক্টো নেত্রী অং সান সু চি। ছবি : রয়টার্স

একদিন আগেই কানাডীয় প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বলেছিলেন, তারা খতিয়ে দেখছেন যে সু চি কানাডীয় সম্মানজনক নাগরিকত্বের যোগ্য কিনা। 

মিয়ানমারের ডি ফ্যাক্টো নেত্রী অং সান সু চিকে দেওয়া সম্মানজনক নাগরিকত্ব প্রত্যাহারে একমত হয়েছেন কানাডার পার্লামেন্টের সদস্যরা। গতকাল বৃহস্পতিবার পার্লামেন্টের এক অধিবেশনে তারা এই বিষয়ে একমত হন। 

মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে নির্যাতনের শিকার রোহিঙ্গাদের পক্ষে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগ এনেই এমন পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে কানাডার পার্লামেন্ট সদস্যরা।  

একদিন আগেই কানাডীয় প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বলেছিলেন, তারা খতিয়ে দেখছেন যে সু চি কানাডীয় সম্মানজনক নাগরিকত্বের যোগ্য কিনা। 

মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর নির্যাতনের মুখে কয়েক দশক ধরেই দেশ ছাড়ছেন রোহিঙ্গারা। প্রাণ বাঁচাতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নিয়েছেন তারা। এর মধ্যে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের সংখ্যাতা সবচেয় বেশি। জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর বলছে। বাংলাদেশে ১৩ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা অবস্থান করছে। 

এর মধ্যে গত বছরের ২৫ আগস্ট থেকেই বাংলাদেশের প্রবেশ করেছে ৭ লাখের বেশি রোহিঙ্গা। রাখাইন রাজ্যের কয়েকটি নিরাপত্তা চৌকিতে হামলার অভিযোগ এনে তাদের ওপর নির্যাতনের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয় মিয়ানমার সেনাবাহিনী। জাতিসংঘসহ বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ওই অভিযানে জাতিগত নিধনযজ্ঞের আলামত পেয়েছে। একে গণহত্যার শামিল বলেছে জাতিসংঘ। 

এমন অবস্থায় মিয়ানমারে সেনা অভিযানের বিষয়ে নীরব থাকায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সমালোচনার মুখে পড়েন অং সান সু চি। এরই মধ্যে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও সংগঠন তাকে দেওয়া সম্মাননা বাতিল করেছে।

মিয়ানমারে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে অবদান রাখার জন্য ১৯৯১ সালে নোবেল পুরস্কার পান অং সান সু সু চি। ২০০৭ সালে তাকে সম্মানজনক নাগরিকত্ব দেয় কানাডা। মাত্র ছয়জনকে এই সম্মান দিয়েছে তারা।