• সোমবার, মার্চ ৩০, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ০১:০৮ দুপুর

ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্প-সুনামিতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৮০

  • প্রকাশিত ১১:১৫ রাত সেপ্টেম্বর ২৮, ২০১৮
ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৫ মাত্রার ভূমিকম্প
ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৫ মাত্রার ভূমিকম্প, পালু শহরে সুনামি। ছবি: রয়টার্স

স্থানীয় সময় শুক্রবার ৭.৫ মাত্রার ভুমিকম্পের পর সুলাওয়েসি দ্বীপের পালু শহরে সুনামি আছড়ে পড়ে।

ইন্দোনেশিয়ায় ভুমিকম্প ও সুনামির আঘাতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৮০ জনে  দাঁড়িয়েছে। স্থানীয় সময় শুক্রবার ৭.৫ মাত্রার ভুমিকম্পের পর সুলাওয়েসি দ্বীপের পালু শহরে সুনামি আছড়ে পড়ে। এতে কমপক্ষে ৫৪০ জন আহত হয়েছে। 

ইন্দোনেশিয়ার দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার বরাত দিয়ে বিবিসি এ তথ্য জানিয়েছে।  

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, ভূমিকম্পের পরপরই দেশটিতে সুনামির সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। পরে তা এক ঘণ্টার মধ্যেই প্রত্যাহার করা নেওয়া হয়। আর সতর্কতা প্রত্যাহারের পরই আছড়ে পড়ে সুনামি। ইন্দোনেশিয়ার পাশাপাশি জাপানেও জারি করা হয়েছিল সুনামি সতর্কতা।


কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সুনামির আঘাতে ভবন ধসের ঘটনা ঘটেছে ও নৌযান ভেসে গেছে। সাগরতীরে অনেকের মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। বিপর্যয়ে নিহতের প্রকৃত সংখ্যা এখনই নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। 

এ বিষয়ে ইন্দোনেশিয়ার আবহাওয়া ও ভূপ্রকৃতিবিদ্যা বিভাগের প্রধান জানান, ‘পালুতে সুনামি আছড়ে পড়ার সংবাদ পেয়েছেন তারা। ভূমিকম্পের পর বেশ কয়েকটি আফটার শক হয়। এরপরই সুনামি আছড়ে পড়ে। সুনামিটি ছিল দেড় থেকে দুই মিটারের। তা শেষ হয়ে গেছে। পরিস্থিতি এখনও বিশৃঙ্খল। মানুষজন রাস্তায় দৌড়াদৌড়ি করছে। ভবন ধসে পড়েছে এবং নৌযান সাগরে ভেসে গেছে।

রিখটার স্কেলে ইন্দোনেশিয়ার ভূকম্পনের মাত্রা ছিল ৭.৫। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল সুলাওয়েসি দ্বীপ। মার্কিন জিওলজিক্যাল সার্ভে প্রথমে জানিয়েছিল, কম্পনের মাত্রা ৭.৭। তবে পরে জানানো হয়, রিখটার স্কেলে ৭.৫ তীব্রতার কম্পন ধরা পড়েছে। 

ভূমিকম্পপ্রবণ দেশগুলির মধ্যে ইন্দোনেশিয়ায় অবস্থান প্রথম সারিতে। দেশটিতে মাঝেমধ্যেই ভূমিকম্প হয়। ২০০৪ সালে সবচেয়ে বড় ভূমিকম্প এবং তার জেরে সুনামি আছড়ে পড়ে অন্তত ১৩টি দেশে। ওই সুনামিতে দুই লাখেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।