• সোমবার, আগস্ট ২৬, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:১৬ রাত

কঠোর হচ্ছে জার্মান অভিবাসন আইন

  • প্রকাশিত ০৬:৩১ সন্ধ্যা অক্টোবর ২, ২০১৮
জার্মান অভিবাসন আইন
কঠোর হচ্ছে জার্মান অভিবাসন আইন। ছবি: সৌজন্যে

জার্মানির নতুন অভিবাসন আইনে কানাডার আইন অনুসরণ করা হয়েছে৷

নতুন অভিবাসন আইনের ফলে কঠোর হয়ে যাচ্ছে জার্মানির অভিবাসন। এই আইনের কারণে দরিদ্র ও শিক্ষিত নন, এমন ব্যক্তিদের অভিবাসন পাওয়া কঠিন হবে জার্মানিতে৷ তবে ইউরোপের বাইরের দেশের শিক্ষিত ও দক্ষ নাগরিকদের জন্য জার্মানিতে কাজ পাওয়া ও বসবাসের বিষয়টি তুলনামূলকভাবে সহজ হচ্ছে৷

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, “আমরা অযোগ্য ‘থার্ড-কান্ট্রি ন্যাশনাল'দের (ইউরোপের বাইরের দেশের নাগরিক) অভিবাসন চাই না,'' এমনটাই লেখা হয়েছে দেশটির নতুন অভিবাসন চুক্তিতে৷

জার্মানির জোট সরকার মঙ্গলবার ভোরে এই আইনে সম্মত হওয়ার বিষয়টি জানিয়েছে৷ দেশটির সামাজিক গণতন্ত্রী দল এসপিডির শ্রমমন্ত্রী হুব্যার্টুস হাইল ও চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলের সিডিইউ দলের সঙ্গী সিএসইউ-র প্রধান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হর্স্ট সেহোফার চুক্তিটিতে স্বাক্ষর করেন৷

জার্মানির নতুন অভিবাসন আইনে কানাডার আইন অনুসরণ করা হয়েছে৷ ফলে প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা, বয়স, ভাষাগত দক্ষতা, আর্থিক নিরাপত্তা, প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে পাওয়া ‘জব অফার' ইত্যাদি বিবেচনা করে অভিবাসন বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে৷

এমনকি বিদেশি গ্র্যাজুয়েট ও কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত কর্মীরা চাকরি খুঁজতে ছয় মাসের জন্য জার্মানিতে আসতে পারবেন৷ তবে এক্ষেত্রে শর্ত হচ্ছে, আগ্রহী প্রার্থীদের চাকরি করার জন্য পর্যাপ্ত যোগ্যতা, প্রশিক্ষণ ও জার্মান ভাষায় দক্ষতা থাকতে হবে এবং দেশটিতে থাকার মতো পর্যাপ্ত অর্থও প্রার্থীর থাকতে হবে৷

নতুন আইনে জার্মান অর্থনীতিতে দক্ষ বিদেশি কর্মীদের অবদান স্বীকার করা হয়েছে৷ ফলে আরও বেশি করে বিদেশী শিক্ষিত দক্ষ কর্মী আনার প্রক্রিয়া সহজ করা হচ্ছে৷ আইনের এক প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ‘নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রথমে জার্মান নাগরিকদের অগ্রাধিকার দেওয়ার জন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর উপর এতদিন যে সরকারি চাপ ছিল, এখন থেকে সেটি আর থাকছে না৷’

প্রসঙ্গত, কট্টরপন্থি সেহোফার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই জার্মানির অভিবাসন পদ্ধতিতে সংস্কার আনার চেষ্টা চালিয়ে গেছেন৷ দাবি মানা না হলে জুনে পদত্যাগ করবেন বলেও হুমকি দিয়েছিলেন তিনি৷