• শনিবার, জানুয়ারী ১৮, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:১৯ সকাল

বাংলাদেশে স্থিতিশীল উন্নয়নের লক্ষ্যে ৫১৫ মিলিয়ন ডলার অর্থায়ন করছে বিশ্বব্যাংক

  • প্রকাশিত ০৯:২৩ রাত অক্টোবর ১৩, ২০১৮
ফাইল ফটো
ফাইল ফটো। ছবি: সৈয়দ জাকির হোসেন/ঢাকা ট্রিবিউন

বাংলাদেশে স্থিতিশীল উন্নয়নের লক্ষ্যে উপকূলীয় ও সামুদ্রিক ব্যবস্থাপনা, বন ব্যবস্থাপনা ও গ্রামীণ পরিবহণ ব্যবস্থা উন্নয়নে তিনটি প্রকল্পের জন্য ৫১৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থায়নের অনুমোদন দিয়েছে বিশ্বব্যাংক

বাংলাদেশের উপকূলীয় ও সামুদ্রিক ব্যবস্থাপনা, বন ব্যবস্থাপনা ও গ্রামীণ পরিবহণ ব্যবস্থা উন্নয়নে তিনটি প্রকল্পের জন্য অর্থায়নের অনুমোদন দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। দারিদ্র্য বিমোচন, নতুন জীবিকার সুযোগ তৈরি এবং জলবায়ু পরিবর্তনে স্থিতিশীল উন্নয়ন নিশ্চিত করতে এ প্রকল্প সহায়ক হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ সাসটেইনেবল কোস্টাল অ্যান্ড মেরিন ফিশারিজ প্রজেক্ট (বিএসসিএমএফপি) বাংলাদেশের অর্থনীতি, পরিবেশগত স্থিতিশীলতা ও দারিদ্র্য নিরসনে উপকূলীয় ও সামুদ্রিক মৎস্যের অবদান বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। সামুদ্রিক মৎস্য ব্যবস্থাপনা অবকাঠামো উন্নয়ন, জলাশয়ের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, বায়োসিকিউরিটি শক্তিশালীকরণ ও মৎস্যচাষ সম্প্রসারণে সাহায্য করবে প্রকল্পটি।

এই প্রকল্পটি দেশের দশটি উপকূলীয় জেলায় মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ের সাথে কমিউনিটি কো-ম্যানেজমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন স্থাপন করবে যাতে করে তারা বিকল্প ও সম্পূরক জীবিকা অর্জন করতে সক্ষম হয় এবং দক্ষতা বৃদ্ধি ও পুষ্টি সচেতনতা কার্যক্রমের মাধ্যমে নারীদের ক্ষমতায়ন বাস্তবায়িত হয়। প্রকল্পটি মৎস্য উত্তোলনের কাজে নিয়োজিত জাহাজের নিবন্ধন এবং মৎস্যজীবীদের আইডি কার্ড পদ্ধতি সম্প্রসারিত করবে। বিশ্বব্যাংক এই প্রকল্পটির জন্য ২৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বরাদ্দ দিয়েছে।

সাসটেইনেবল ফরেস্ট অ্যান্ড লাইভলিহুডস (এসএফএএফএল) প্রকল্পটি সম্মিলিত বনাঞ্চল ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বাংলাদেশের বনাঞ্চল উন্নয়ন ও বন নির্ভর সম্প্রদায়ের জন্য সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করবে। প্রকল্পটির কার্যক্রমের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত আছে: স্থানীয়দের সহযোগিতায় বনাঞ্চলের সংরক্ষিত এলাকা ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন; জীবিকা উপার্জন সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডের প্রচারণা; মানব ও বন্যপ্রাণীর দ্বন্দ্ব হ্রাস এবং জলবায়ু স্থিতিশীলতা উন্নয়নে উপকূলীয় অঞ্চলে "কোস্টাল গ্রিন বেল্ট" সহ ৭৯,০০০ হেক্টর জমিতে বনায়ন। প্রকল্পটি কক্সবাজারেও তাদের কার্যক্রম চালাবে, যেখানে প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী আশ্রয় নিয়েছেন। বিশ্বব্যাংক প্রকল্পটির জন্য ১৭৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অনুমোদন করেছে।

সেকেন্ড রুরাল ট্র্যান্সপোর্ট ইমপ্রুভমেন্ট প্রজেক্ট (আরটিআইপি-২) ২০১৭ সালের ভারী বর্ষণ ও বন্যার ক্ষতিগ্রস্ত ২৬ টি জেলার গ্রামীণ সড়ক ব্যবস্থা উন্নয়নে কাজ করবে। বিশ্বব্যাংক রাস্তাগুলির পরিকল্পনা ও নকশা বাস্তবায়ন এবং তা রক্ষণাবেক্ষণের উদ্দেশ্যে কাজ করবে যাতে করে লাখ লাখ মানুষ হাসপাতাল, স্থানীয় বাজার এবং স্কুলগুলোতে যাতায়াতে প্রতিকূলতা এড়াতে সক্ষম হয়। এই প্রকল্পটির জন্য বিশ্বব্যাংক ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বরাদ্দ করেছে।