• বুধবার, ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ০২:২২ দুপুর

ইন্দোনেশিয়ার বিমান দুর্ঘটনা থেকে যেভাবে বাঁচলেন তিনি

  • প্রকাশিত ০৫:৩২ সন্ধ্যা অক্টোবর ৩০, ২০১৮
সনি সেতিয়াওয়ান
সনি সেতিয়াওয়ান। ছবি : এএফপি

নিহতদের এই মিছিলের একজন হতে পারতেন সনি সেতিয়াওয়ান নামের এক ব্যক্তি। তবে সৌভাগ্যক্রমে বেঁচে গেছেন তিনি। সনি ইন্দোনেশিয়ার অর্থ মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা।

শুধু ইন্দোনেশিয়া না, পুরো বিশ্ববাসীর জন্য একটি শোকের দিন হয়ে থাকবে ২৯ অক্টোবর। গতকাল এই দিনে ১৮৯ জন আরোহী নিয়ে জাকার্তা বিমানবন্দর থেকে ছেড়ে যাওয়া লায়ন এয়ারের জেটি-৬১০ ফ্লাইটটি সাগরে বিধ্বস্ত হয়। বিমানটি দ্বীপ শহর পাঙকাল পিনাঙয়ের উদ্দেশে যাত্রা করেছিল।

ওই বিমানের ১৮৯ যাত্রীর কেউ বেঁচে নেই বলে জানিয়েছে উদ্ধারকারী দল। তবে চলছে উদ্ধারকাজ। পানির উপরে মিলছে বিমানের ধ্বংসাবশেষ, নিহতদের শরীরের অংশ আর তাদের সঙ্গে থাকা জিনিসপত্র।

নিহতদের এই মিছিলের একজন হতে পারতেন সনি সেতিয়াওয়ান নামের এক ব্যক্তি। তবে সৌভাগ্যক্রমে বেঁচে গেছেন তিনি। সনি ইন্দোনেশিয়ার অর্থ মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা।

বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়,  বিধ্বস্ত হওয়া লায়ন এয়ারের জেটি-৬১০ ফ্লাইটটির যাত্রীর তালিকায় নাম ছিল সনির। তবে রাস্তায় জ্যামের কারণে বিমানবন্দরে সময়মতো পৌঁছাতে পারেননি তিনি। ফলে ওই বিমানে ওঠাও হয়নি তার। 

সনি এএফপিকে বলেন, আমি ও আমার বন্ধুরা সবসময় এই বিমানে করেই যাতায়াত করি। তবে আমি জানি না আজ (সোমবার ) কেন রাস্তায় এতো জ্যাম ছিল। আমি সাধারণত ভোররাত ৩টায় জাকার্তা পৌঁছাই। তবে আজ পৌছেছি ৬টা বেজে ২০ মিনিটে এবং ফ্লাইট মিস করি।'

পরে অবশ্য অন্য একটি বিমানে করে পাঙকাল পিনাঙয়ে পৌঁছান সনি। সেখানে গিয়েই শোনেন জেটি-৬১০ ফ্লাইটটির দুর্ঘটনার খবর। তিনি বলেন, 'খবর শুনেই আমি কেঁদেছিলাম। আমি জানি আমার বন্ধুরা ফ্লাইটটিতে ছিল।'