• বুধবার, নভেম্বর ১৪, ২০১৮
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:১৫ রাত

অবশেষে প্রাণ হারাল ‘ভয়ংকর’ এক নরখাদক

  • প্রকাশিত ১২:৩৪ দুপুর নভেম্বর ৩, ২০১৮
ভারতীয় বাঘ। ছবি : এএফপি
ভারতীয় বাঘ। ছবি : এএফপি

বাঘিনীটিকে বশ করতে আনা হয় ক্যালভিন ক্লেইনের বিশেষ একটি সুগন্ধিও। ক্যালভিন ক্লেইনের দাবি ওই সুগন্ধি বাঘকে আকৃষ্ট করে।

ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যে একটি বাঘিনীকে গুলি করেছে বনবিভাগের কর্মীরা। টি-১ নামের ওই বাঘিনী বিভিন্ন সময়ে ১৩ জন মানুষকে হত্যা করেছে বলে জানা গেছে। 

সংবাদ মাধ্যম বিবিসির খবরে বলা হয়, গত দুই বছরে বাঘিনীটি কমপক্ষে ১৩ জনকে হত্যা করেছে। এর মধ্যে ২০১৬ সাল থেকে ২০ মাস ধরে ১০ জনকে হত্যা করে। আর গত আগস্টে বাকি তিনজনের প্রাণ যায় তার থাবায়। 

এদিকে টি-১’কে বাগে আনতে অনেকদিন ধরেই মরিয়া হয়ে উঠেছিল বনবিভাগের কর্মকর্তারা। অবলম্বন করেছেন নানা উপায়। কিন্তু কিছুতেই কিছু হচ্ছিল না। শুধু বেড়েই যাচ্ছিল মৃতের সংখ্যা। 

বিবিসি জানায়, বাঘিনীকে ধরতে জঙ্গলে ১০০টির বেশি ক্যামেরা লাগানো হয়েছিল। নিয়মিত পাতা হতো ছাগল-ঘোড়াসহ বিভিন্ন প্রাণির ফাঁদ। এ ছাড়া গাছে-গাছে মাচা বেঁধে ও জঙ্গলে ঝটিকা অভিযান চালিয়েও সেটিকে ধরার চেষ্টা করা হয়। 

শুধু তাই নয় গত মাসে বাঘিনীটিকে বশ করতে আনা হয় ক্যালভিন ক্লেইনের বিশেষ একটি সুগন্ধিও। ক্যালভিন ক্লেইনের দাবি ওই সুগন্ধি বাঘকে আকৃষ্ট করে।

মহারাষ্ট্রের বনবিভাগ জানায়, গত শুক্রবার মহারাষ্ট্রের বোরাতি গ্রামে ওই বাঘিনীকে দেখা গেছে এমন খবর পেয়ে একটি সশস্ত্র দল ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে পৌঁছে সেটির শরীরে বন্দুক থেকে অবশীকরণ ইনজেকশন ছুড়ে দেওয়া হয়। এরপর বাঘিনীটি ছুটে আসলে সেটির ওপর গুলি চালানো হয়। একটি গুলিতেই ওই বাঘিনীর প্রাণ যায়।

বনবিভাগ জানায়, আগস্টে ওই বাঘিনী তার নয় মাসের দুই শাবককে নিয়ে যাবাতমাল জেলার পাঁধারকাওয়াদা শহরে হামলা চালায়। এতে ওই এলাকার পাঁচ হাজার মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। ফলে বাঘিনীটি হত্যা করা জরুরি হয়ে পড়েছিল।