• বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ১৩, ২০১৮
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৩২ রাত

ব্রিটিশ পার্লামেন্ট: অধিকাংশ বিশেষজ্ঞ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিজয় দেখছেন

  • প্রকাশিত ০৩:৩০ বিকেল ডিসেম্বর ১, ২০১৮
বৃটিশ পার্লামেন্ট
বৃটিশ পার্লামেন্ট। ছবি: এএফপি।

'অধিকাংশ পর্যবেক্ষকের মূল প্রত্যাশার চেয়েও ২০১৮ সালের নির্বাচন বেশি বিশ্বাসযোগ্য হবে'

আগামী ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনে অধিকাংশ বিশেষজ্ঞ ক্ষমতাসীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের বিজয় দেখতে পাচ্ছেন বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ হাউস অব কমন্স।

বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ পার্লামেন্টের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা এক প্রতিবেদনে বলা হয়, আগামী জাতীয় নির্বাচনের ফলাফলে পূর্বে যা ধারণা করা হয়েছিল তারচেয়ে কম ব্যবধান থাকবে।

বাংলাদেশে  ২০১৮ সালের নির্বাচনকে সামনে রেখে  রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

এতে বলা হয়, বিরোধী দল বিএনপি তাদের দীর্ঘদিনের পূর্বশর্ত- দলের নেত্রী খালেদা জিয়া যাতে নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন সে জন্য তার কারামুক্তি এবং নির্বাচন তত্ত্বাবধানে নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠার দাবি অর্জনে ব্যর্থ হওয়া সত্ত্বেও এখন ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে অংশ নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

কেউ কেউ বলছেন বিএনপির এবার নির্বাচনে অংশ নেয়ার সিদ্ধান্তের মানে হলো, অধিকাংশ পর্যবেক্ষকের মূল প্রত্যাশার চেয়েও ২০১৮ সালের নির্বাচন বেশি বিশ্বাসযোগ্য হবে। তবে নির্বাচনের ‘প্লেয়িং ফিল্ড’ সমতল হওয়ার চেয়ে অনেক দূরে রয়েছে, যোগ করা হয় প্রতিবেদনে।

এতে আরও বলা হয়, নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ইইউ পূর্ণাঙ্গ পর্যবেক্ষণ মিশন না পাঠানোর যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তার মানে হলো এই নির্বাচন নিয়ে উল্লেখযোগ্য আন্তর্জাতিক সংশয় রয়েছে।

নির্বাচনে কমনওয়েলথ পর্যবেক্ষণ মিশন পাঠাবে কিনা তা এখনো ঠিক করা হয়নি বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

পার্লামেন্ট সদস্যদের অবহিত করতে তৈরি করা এই প্রতিবেদনে রোহিঙ্গা উদ্বাস্তু সংকটে বাংলাদেশের সাড়াদানের বিষয়টিও তুলে ধরা হয়। বলা হয়, প্রায় ১০ লাখ মুসলিম রোহিঙ্গা উদ্বাস্তুকে মিয়ানমারে প্রত্যাবাসন শুরুর যে উদ্যোগ নভেম্বর মাসে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ নিয়েছিল তা জাতিসংঘ ও পশ্চিমা চাপে স্থগিত করা হয়েছে। 

বাংলাদেশ পুনরায় জানিয়েছে যে তারা জোরপূর্বক প্রত্যাবাসন সমর্থন করবে না। আগামী বছরের আগে প্রত্যাবাসন শুরুর আর কোনো পদক্ষেপ দেখা যাবে না, যোগ করা হয় প্রতিবেদনে।