• সোমবার, এপ্রিল ০৬, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:২৮ রাত

‘অযাচিত’ আশ্রয়প্রার্থীদের দুর্গম দ্বীপে পাঠাবে ডেনমার্ক

  • প্রকাশিত ০৯:১৫ রাত ডিসেম্বর ৪, ২০১৮
denmark
ডেনমার্কের অভিবাসী বিষয়ক মন্ত্রী ইঙ্গার স্টোজবার্গ। ছবি- এএফপি

যাদেরকে ওই দ্বীপে পাঠানো হবে তাদের মধ্যে বিদেশী দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীরাও রয়েছে

আশ্রয় বাতিল হওয়া আশ্রয়প্রার্থীদের এক দুর্গম দ্বীপে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ডেনমার্ক। 

অভিবাসীদের বিষয়ে কট্টর মনোভাবসম্পন্ন ডেনমার্কের অভিবাসী বিষয়ক মন্ত্রী ইঙ্গার স্টোজবার্গ এ বিষয়ক এক ফেসবুক পোস্টে বলেন, “তারা যে ডেনমার্কে অযাচিত, সেটা তারা অনুভব করবে।”

নিউ ইয়র্ক টাইমসে তাদের প্রতিবেদনে জানায়, শরনার্থীদের জন্য ঠিক করা লিন্ডহম দ্বীপটি বর্তমানে গবেষণাগার, আস্তাবল ও রোগাক্রান্ত পশুদের দাহ করার স্থান হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 

ডেনমার্কের মধ্যডানপন্থী সরকার ও ডানপন্থী ড্যানিস পিপল’স পার্টির সম্মতিতে এই ঘোষণার সিদ্ধান্ত আসে। যাদেরকে ওই দ্বীপে পাঠানো হবে তাদের মধ্যে বিদেশী দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীরাও রয়েছে। 

অভিবাসীবিরোধী ড্যানিস পিপল’স পার্টি অভিবাসী ও শরনার্থীদের ওপর আরও বিধিনিষেধ আরোপ করার পক্ষে। তাদের দাবির মধ্যে স্থানান্তরিত শরনার্থীদেরকে দৈনিক তল্লাশি করা অথবা কারাগারে পাঠানোর দাবিও রয়েছে।

ড্যানিস পিপল’স পার্টির অভিবাসী বিষয়ক মুখপাত্র মার্টিন হেনরিকসেন বলেন, “আমরা ওই দ্বীপে ফেরি চলাচলও যতটা সম্ভব কমিয়ে দিচ্ছি। আমরা এটা যতটা সম্ভব কষ্টকর ও খরচসাপেক্ষও করবো।” 

উল্লেখ্য, বাংলাদেশে আশ্রয়প্রাপ্ত রোহিঙ্গা শরনার্থীদেরও ভাসান চর নামক দ্বীপে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। গত অক্টোবরে পাঠানো শুরু করার কথা থাকলেও এখনও তা বাস্তবায়ন শুরু হয়নি। 

গত বছরের ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইনে সহিংসতার পর বাস্তুহারা রোহিঙ্গারা প্রাণ ভয়ে আশ্রয়ের জন্য পালিয়ে আসে বাংলাদেশে। এই পর্যন্ত নতুন করে যোগ হওয়া ৭লাখ রোহিঙ্গাসহ  নিবন্ধনকৃত রোহিঙ্গার সংখ্যা এখন ১১ লাখ ১৬ হাজার ৪১৭জন। যারা অবস্থান করছেন কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের ১২টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে।