• শুক্রবার, নভেম্বর ১৫, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৪৬ রাত

এবার ছাত্রের চুল কাটলেন শিক্ষিকা (ভিডিও)

  • প্রকাশিত ০২:২২ দুপুর ডিসেম্বর ১০, ২০১৮
মার্গারেট জিসযিঞ্জার
জোর করে ছাত্রের চুল কেটে দেওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের এক শিক্ষিকার বিরুদ্ধে ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে। ছবি: সৌজন্যে।

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সঙ্গীত গাইতে গাইতে ঐ শিক্ষিকা শ্রেণিকক্ষে উপস্থিত কয়েকজন ছাত্রীরও চুল কাটার হুমকি

জোর করে ছাত্রের চুল কেটে দেওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের এক শিক্ষিকার বিরুদ্ধে ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে। ওই শিক্ষিকার নাম মার্গারেট জিসযিঞ্জার।

এই ঘটনার ধারণকৃত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে তার বিরুদ্ধে শিশুর প্রতি নিষ্ঠুরতা, প্রহারসহ ছয়টি অভিযোগ এনে গ্রেফতার করা হয় ৫২ বছর বয়সী ঐ শিক্ষিকাকে। অন্যদিকে, ক্যালিফোর্নিয়ার ভিসালিয়ার ইউনিভার্সিটি প্রিপারেটরি হাই স্কুল কর্তৃপক্ষ তাকে চাকরি থেকে বহিস্কার করেছে বলে বিবিসির একটি খবরে বলা হয়েছে।

তবে, জিসযিঞ্জার এক লক্ষ ডলার মুচলেকা দিয়ে গত শুক্রবার জামিন পেয়েছেন। 

এই ঘটনার মোবাইল ফোনে ধারণকৃত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ক্লাস চলাকালে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার সময় বিজ্ঞানের শিক্ষক মার্গারেট জিসযিঞ্জার এক ছাত্রকে শ্রেণীকক্ষের একেবারে সামনের দিকে এসে বসতে বলেন। ঐ ছাত্র তখন সামনে এসে বসলে ঐ শিক্ষিকা তার মাথার চুল কেটে দেন। এই সময় ঐ শিক্ষিকা ভুল সুরে জাতীয় সঙ্গীত গাইছিলেন। এরপর ঐ শিক্ষিকা শ্রেণিকক্ষে উপস্থিত কয়েকজন ছাত্রীরও চুল কাটার হুমকি দেন। এসময় ঐ শ্রেণিকক্ষে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা আতংকগ্রস্ত হয়ে পড়ে।

 

এ বিষয়ে নিগৃহীত ছাত্রের আইনজীবী বলেন, "শিক্ষিকার হাত থেকে নিষ্কৃতি পাওয়ার আগ পর্যন্ত আমার ক্লায়েন্ট সম্পূর্ণ আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছিল। এটা ছিল নিষ্ঠুরতার ঘৃণ্য এক নিদর্শন"।

এদিকে, টুলারে কাউন্টি অফিসের শিক্ষা বিষয়ক কর্মকর্তা এ ঘটনাকে অত্যন্ত নিষ্ঠুর উল্লেখ করে তার আনুষ্ঠনিক বিবৃতিতে বলেন "ক্লাসরুমে ছাত্র-ছাত্রীদের নিরাপত্তাকে আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখি। খুব দ্রুত এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

এদিকে, এই ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষিকা নিজেকে নির্দোষ  দাবী করেছেন। তবে, আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভিডিওসহ ঘটনার প্রমাণ এবং প্রত্যক্ষদর্শী থাকায় ঐ শিক্ষিকার ৩ থেকে সাড়ে ৩ বছরের জেল হতে পারে।