• রবিবার, জুলাই ২১, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৩:৩৭ বিকেল

আইএসের শেষ আস্তানা থেকে পালিয়ে আসছে স্থানীয়রা

  • প্রকাশিত ০৭:০৮ রাত ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০১৯
ইরাকি
বাগউজ থেকে পালিয়ে আসা শরনার্থী। ছবি: এএফপি

তবে, আইএস জঙ্গিরা স্থানীয়দের ঐ অঞ্চল থেকে পালিয়ে আসতে বাধা দিচ্ছে

ইসলামিক স্টেট (আইএস) এর নিয়ন্ত্রণাধীন সর্বশেষ এলাকা সিরিয়ার বাগোউজ থেকে পালাতে শুরু করেছে ঐ অঞ্চলের অধিবাসীরা। এই সব শরনার্থীরা বাগোউজ থেকে পালিয়ে আসতে সক্ষম হলেও শুস্ক এবং রুক্ষ এই অঞ্চলে খাদ্য এবং পানির অভাবে তীব্র সংকটে পড়েছেন বলে বার্তা সংস্থা এএফপি'র একটি খবরে বলা হয়েছে।

জানা যায়, ক্ষুধার্ত তৃষ্ণার্ত শরণার্থীদের মরুভূমির প্রচণ্ড ঠান্ডার মধ্যে খোলা আকাশের নিচে রাত কাটাতে হচ্ছে। অন্তত ৩শ নারী ও শিশুকে মরুভূমির ঝোপঝাড়ের পাশেই ঘুমাতে হচ্ছে। এদের অধিকাংশই ইরাকি।

এদের মধ্যে অল্প কয়েকজন ভাগ্যবান তাঁবু পেলেও অধিকাংশ শরনার্থীই কম্বলের নিচে রাত কাটিয়েছেন। এইখানে কয়েকশ' শরনার্থী থাকলেও তাদের জন্য মাত্র কয়েক প্যাকেট খাবার এবং অল্প কয়েকটি পানির বোতল সরবারাহ করা হয়েছে।

মার্কিন সমর্থিত সিরিয়ান ডেমোক্র্যাটিক ফোর্সেস (এসডিএফ) শরণার্থীদের এই কম্বল, তাঁবু ও খাবার সরবরাহ করেছে। তবে, সেখানে এখনও কোন মানবিক সংগঠন বা সংস্থা পৌঁছেনি।

বাগউজ থেকে আগত ফাতিমা বলেন, "প্রচন্ড ঠান্ডায় বাচ্চারা রাতভর কেঁদেছে। বাগউজে ব্যাপক বোমা বর্ষণ হচ্ছে। সেখানে বাড়িতে থাকার চেয়ে এখানে খোলা আকাশের নিচে ঘুমানোও নিরাপদ।"

তবে, আইএস জঙ্গিরা স্থানীয়দের ঐ অঞ্চল থেকে পালিয়ে আসতে বাধা দিচ্ছে। জঙ্গিরা স্থানীয়দের  মানবঢাল হিসেবে যুদ্ধে ব্যবহার করছে বলে শরনার্থীরা অভিযোগ করেন। 

এদিকে, বাস্তুচ্যুতরা এসডিএফ সদস্যদের প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার জন্য অপেক্ষা করছেন। এরপর তাদেরকে ট্রাকে করে উত্তরে আল-হোল শারণার্থী শিবিরে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে পৌঁছতে ছয় ঘন্টা লাগবে।

উল্লেখ্য, এসডিএফ ওই অঞ্চলকে আইএসমুক্ত করার জন্য চূড়ান্ত অভিযান শুরু করেছে। উভয়পক্ষের মধ্যে তুমুল লড়াই চলছে।