• শনিবার, ডিসেম্বর ১৪, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৫২ রাত

কাশ্মিরে অস্ত্র হাতে তুলে নিলেই গুলি

  • প্রকাশিত ০৬:৩৩ সন্ধ্যা ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০১৯
কাশ্মীর
ভারত শাসিত কাশ্মীরে ভারতীয় বাহিনী। ছবি- রয়টার্স

ভারতের লেফটেন্যান্ট জেনারেল কে এস ঢিলোঁ এই হুঁশিয়ারি দেন

ভারতশাসিত জম্মু-কাশ্মীরের পুলওয়ামায় আত্মঘাতী বোমা হামলার পর রবিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে ভারতীয় বাহিনী সেখানে অভিযান শুরু করে। সোমবার সেনা-জঙ্গি বন্দুকযুদ্ধে দুই পক্ষের ৭ জন  প্রাণ হারায়। এদিকে মঙ্গলবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ভারতীয় সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে কঠোর বার্তা দেওয়া হয়েছে কাশ্মিরবাসীকে। এদিন লেফটেন্যান্ট জেনারেল কে এস ঢিলোঁ এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, কাশ্মিরে কেউ অস্ত্র হাতে তুলে নিলেই তাকে গুলি খেতে হবে। জঙ্গিবিরোধী অভিযান পরিচালনার সময় বেসামরিকদের হস্তক্ষেপ না করার হুমকিও দিয়েছেন তিনি। 

জেনারেল ঢিলোঁ তার মন্তব্যের মধ্য দিয়ে মূলত ক’দিন আগে করা সেনাপ্রধানের মন্তব্যেরই প্রতিধ্বনি করেছেন। তিনিও সেনা অভিযানে বাধা দিলে কঠোর পরিণতি বরণ করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। অভিভাবকদের আহ্বান জানিয়েছিলেন, তরুণদের সঠিক পথে ফেরাতে। 

মঙ্গলবার সেনা কর্মকর্তা কে এস ঢিলোঁ সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, "জম্মু-কাশ্মিরে যেই অস্ত্র হাতে তুলে নেবে, তাকেই শেষ করে দেওয়া হবে। আমি প্রত্যেক পরিবারকে বলছি, সন্তানদের বন্দুক পরিত্যাগ করে আত্মসমর্পণের পথে আসতে বলুন। এটাই সঠিক পথ। যদি তা না হয়, অস্ত্র হাতে তুলে নেওয়া যে কাউকে গুলি করা হবে।"

তিনি আরও বলেন, বেসামরিক এলাকায় যখন বন্দুকযুদ্ধ হয়, তখন জনসাধারণকে আমরা নিরাপদে থাকতে বলি। অভিযান পরিচালনার আওতায় থাকা এলাকা ঘেরাও করে রাখি। মানুষকে বলি, তারা যেন বাড়িতেই থাকে এবং এ ব্যাপারে মাথা না ঘামায়। বেসামরিক নিহতের সংখ্যা সীমিত রাখতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করি।

গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ভারতশাসিত জম্মু-কাশ্মীরের পুলওয়ামা জেলায় দেশটির সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্সের (সিআরপিএফ) ওপর সন্ত্রাসী হামলা হয়। আত্মঘাতী হামলায় সিআরপিএফের অন্তত ৪৯ জন জওয়ান নিহত হন। আহত হন ৪১ জন। সন্ত্রাসবাদী সংগঠন জইশ-ই-মোহাম্মদ (জেইএম) এই হামলার দায় স্বীকার করেছে। হামলার মাশুল পাকিস্তানকে দিতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দেয় ভারত। জঙ্গি হামলার জেরে পাকিস্তানকে দেওয়া ‘মোস্ট ফেভারড নেশন’-এর (এমএফএন) মর্যাদা প্রত্যাহার করে ভারত। শুধু তা-ই নয়, পাকিস্তান থেকে আসা সব পণ্যের ওপর ২০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে ভারত।