• বৃহস্পতিবার, জুন ২৭, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:০৬ সকাল

ভারত-পাকিস্তানের সাম্প্রতিক উত্তেজনায় প্রথমবারের মতো স্বস্তি

  • প্রকাশিত ১২:১৪ দুপুর মার্চ ৪, ২০১৯
ভারত-পাকিস্তান

রবিবার রাতে কোনো উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়নি

কাশ্মীরের বিরোধপূর্ণ অঞ্চল নিয়ে যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে যাওয়া ভারত-পাকিস্তানের সাম্প্রতিক উত্তেজনায় প্রথমবারের মতো স্বস্তি অনুভূত হয়েছে। কারণ ওই অঞ্চলের স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, রবিবার রাতে কোনো উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়নি।

সপ্তাহধরে পারমাণবিক ক্ষতাধর দেশ দুটির যুদ্ধের পরিস্থিতিতে পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের চাকতি এলাকা থেকে অনেক গ্রামবাসী সীমান্ত রেখা (লাইন অব কন্ট্রোল) থেকে পালিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে অন্যত্র চলে গেছেন। তাদের একজন হলেন নাজাকাত হুসাইন।

তিনি বলেন, তিনি ও আরও অনেক পরিবার নিজেদের সুরক্ষার জন্য আন্ডারগ্রাউন্ড ও বাঙ্কারে কোনো আশ্রয় পায়নি। তাই বিকল্প উপায় না পেয়ে তাদের পালাতে হয়েছে। আগেভাগেই ওই এলাকা ত্যাগ করায় অত্যন্ত ঠান্ডা খারাপ আবহাওয়া, তুষারপাত ও সীমান্ত জুড়ে গোলাগুলি থেকে তারা রক্ষা পেয়েছেন।

পাকিস্তানি সরকারি কর্মকর্তা মোয়াজ্জেম জাফর বলেন, তাদের এলাকায় তিনটি বড় বড় ভবনে প্রায় ২০০ পরিবার আশ্রয় নিয়েছে। যাদেরকে গরম কাপড়, ঘুমানোর ব্যবস্থা খাবার ওষুধপত্র সরবরাহ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ভারতনিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের পুলওয়ামায় এক আত্মঘাতী হামলায় ভারতের আধা সামরিক বাহিনীর ৪০ জনের বেশি সদস্য নিহত হন। পাকিস্তান-ভিত্তিক সংগঠন জইশ-ই-মোহাম্মদ হামলার দায় স্বীকার করে। সেই প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার ভারত পাকিস্তানের অভ্যন্তরে জঙ্গি ঘাঁটিতে বিমান হামলা চালায় এবং অসংখ্য ‘জঙ্গি’ নিহত হয় বলে দাবি করা হয়।

পরবর্তীতে পাকিস্তানও জবাব দিতে ভারতের দুটি বামান ভূপাতিত করার দাবি জানায় এবং ভারতীয় বিমান বাহিনীর পাইলট অভিন্দনকে আটক করা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত আটক অভিনন্দনকে ভারতে ফেরত দিলে দুদেশের মধ্যেকার চলমান উত্তেজনা হ্রাস পাবে বলে মনে করা হলেও কাশ্মীরের বিরোধপূর্ণ অঞ্চলে গোলাগুলি অব্যাহত থাকে। এতে দুই পাকিস্তানি সেনা সদস্য ও ছয়জন বেসামরিক নাগরিকসহ অন্তত আটজন নিহত হয়।