• বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ১২, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৪:১৪ বিকেল

স্থানীয় নির্বাচনে আঙ্কারায় এরদোয়ানের পরাজয়

  • প্রকাশিত ০৭:৩৩ রাত এপ্রিল ১, ২০১৯
এরদোয়ান
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানী আঙ্কারায় ধর্ম নিরপেক্ষ দল রিপাবলিকান পিপলস পার্টির (সিএইচপি) মনোনীত প্রার্থী মানসুর ইয়াভাস জয়লাভ করেছেন।

তুরস্কের মিউনিসিপাল নির্বাচনে দেশটির রাজধানী আঙ্কারাসহ কয়েকটি বড় শহরে পরাজিত হয়েছেন প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানের দল ল জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টির (একেপি) মনোনীত প্রার্থী। পুরো দেশে ৫১ শতাংশ ভোট পেয়েছে একেপিলীয় জোট।

তুর্কি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, রাজধানী আঙ্কারায় ধর্ম নিরপেক্ষ দল রিপাবলিকান পিপলস পার্টির (সিএইচপি) মনোনীত প্রার্থী মানসুর ইয়াভাস জয়লাভ করেছেন।

এদিকে, ইস্তাম্বুলে মেয়র পদে একেপি ও সিএইচপি উভয় দলই নিজ প্রার্থীকে জয় দাবি করছে। সেখানকার সিএইচপির প্রার্থী ইকরেম ইমামোগলু বলেছেন, প্রায় ২৮ হাজার ভোটের ব্যবধানে তিনি জয়লাভ করেছেন।

অন্যদিকে, একেপির প্রার্থী সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিনালি ইয়িলদিরিম জানিয়েছেন, তিনি বিরোধী প্রার্থীর থেকে প্রায় চার হাজার ভোটে এগিয়ে রয়েছেন। সেখানে দুই প্রার্থীই পৃথকভাবে প্রায় চার মিলিয়ন করে ভোট পেয়েছেন।

ইস্তাম্বুলের সমর্থকদের সঙ্গে কথা বলে সেখানে একেপি মনোনীত প্রার্থী পরাজিত হতে পারেন বলে আগেই সংকেত পেয়েছিলেন এরদোয়ান। অন্যদিকে, দেশটির তৃতীয় বৃহত্তম শহর ইজমিরেও সিএইচপি মনোনীত প্রার্থীই জয়লাভ করেছেন বলে দাবি করেছে দলটি।

সিএইচপির নেতা কেমাল কিলিকডারোগলু বলেন, গণতন্ত্রের পক্ষেই ভোট দিয়েছেন জনগণ। তারা গণতন্ত্রকেই বেছে নিয়েছে। দেশের ৫১ শতাংশ ভোট পেয়ে এরদোয়ান বলেন, যদি কোনও ধরনের ভুলত্রুটি হয়ে থাকে, তাহলে আমাদের উচিত তা শুধরে নেওয়া। এর আগে এরদোয়ান বলেছিলেন, এ নির্বাচন দেশ এবং তার দলের জন্য বেঁচে থাকার লড়াই।

২০২৩ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে তার নেতৃত্বে দেশটির অর্থনীতিকেই গুরুত্ব দেয়া হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট। দেশটিতে চলমান অর্থনৈতিক মন্দার মধ্য দিয়ে এ নির্বাচনটি হয়। দেশটির শহরগুলোতে মেয়র এবং কাউন্সিলর পদে নির্বাচনের জন্য ভোট দিতে ৫৭ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ নিবন্ধন করেছিলেন।