• বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ১৪, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৪:১৭ বিকেল

ঘণিভূত হচ্ছে ‘ফণি', ১৮৫ কিলোমিটার বেগে আছড়ে পড়ার আশঙ্কা

  • প্রকাশিত ০৭:১১ রাত এপ্রিল ২৯, ২০১৯
ঘূর্ণিঝড়
সংগৃহীত

উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে

ঘূর্ণিঝড় ‘ফণি’ আরও ঘনিভূত হওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়ে সোমবারও দেশের সমূদ্রবন্দর সমূহকে দুই নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। তবে ঘূর্ণিঝড়টি ক্রমশ শক্তি বাড়িয়ে তামিলনাড়ু ও অন্ধ্রপ্রদেশের দিকে ধেয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে আনন্দবাজার।

ভারতীয় আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, “ক্রমশ শক্তি বাড়িয়ে তামিলনাড়ু ও অন্ধ্রপ্রদেশের দিকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ফণি।” আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত উত্তর-পশ্চিম দিকে আগাবে এই ঘূর্ণিঝড়। ১ মে উত্তর-পূর্ব অভিমুখে গতিপথ বদলাতে পারে। এমনকি ১৮৫ কিলোমিটার বেগে আছড়ে পড়তে পারে বলেও জানিয়েছে দেশটির আবহাওয়া অধিদপ্তর।

অধিদপ্তরটির পরিচালক, জেনারেল কে জে রমেশ জানিয়েছেন, “২ মে ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়তে পারে। তবে ৩০ এপ্রিল সন্ধ্যার পর বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে ঠিক কোন সময়, কত গতিতে আছড়ে পড়তে পারে ফণি।”

অন্যদিকে, সোমবার বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এক সতর্ক বার্তায় জানায়, ঘূর্ণিঝড় ফণি বর্তমানে চট্টগ্রাম সমূদ্র থেকে ১৬২০ কিলোমিটার, কক্সবাজার থেকে ১৫৪৫ কিলোমিটার, মংলা থেকে ১৫৮০ এবং পায়রা থেকে ১৫৫০ কিলোমটার দক্ষিণে অবস্থান করছে। এটি আরও ঘনীভূত হয়ে উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

এদিকে আবহাওয়া পূর্বাভাসে সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনার কথা জানালেও ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য স্থানে বৃষ্টির হওয়ার সম্ভবনা তেমন নেই বলে জানায় আবহাওয়া অধিদপ্তর।