• শুক্রবার, আগস্ট ২৩, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৫১ রাত

ট্রাম্প: যুদ্ধ হলেই ধ্বংস হবে ইরান

  • প্রকাশিত ১১:১০ সকাল মে ২০, ২০১৯
ডোনাল্ড ট্রাম্প
ফাইল ছবি। ছবি: রয়টার্স

রাশিয়া সফরে গিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রী মাইক পম্পেও বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে কোনো যুদ্ধ চায় না। কিন্তু ট্রাম্পের নতুন টুইট সে বিষয়টি নাকচ করে দিল।

আমেরিকার সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হলেই ইরান ধ্বংস হয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। 

স্থানীয় সময় রবিবার, এক টুইট বার্তায় ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন। 

টুইটে ট্রাম্প বলেন, “ইরান যদি যুদ্ধ চায়, তাহলে দেশটির আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটবে।”

যদিও মাত্র একদিন আগেই ট্রাম্প গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে জড়ানোর কোনো ইচ্ছাই তার নেই।

রাশিয়া সফরে গিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রী মাইক পম্পেও বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে কোনো যুদ্ধ চায় না। কিন্তু ট্রাম্পের নতুন টুইট সে বিষয়টি নাকচ করে দিল। 

সাম্প্রতিক সময়ে উপসাগরীয় অঞ্চলে নতুন উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ইরান মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন স্বার্থে আঘাত হানতে পারে এমন অজুহাত তুলে পারস্য উপসাগরে বিমানবাহী রণতরীসহ ইরানের প্রতিবেশী দেশ কাতারে বি-৫২ বোমারু বিমান মোতায়েন করেছে। 

ইরানের অভিযোগ, সৌদি আরব ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে যুদ্ধে উস্কে দিচ্ছে। 

তবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাভেদ জারিফ সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র সফরে গিয়ে মার্কিন গণমাধ্যমকে বলেছেন, যুদ্ধের কোনো সম্ভাবনা নেই। 

ইরানের সবোর্চ্চ নেতা আয়াতুল্লা খামেনি গত সপ্তাহে দেশবাসীর উদ্দেশে দেওয়া বিবৃতিতে বলেছিলেন, ইরানে হামলা চালানোর সাহস যুক্তরাষ্ট্রের নেই। যুক্তরাষ্ট্র প্রকৃতপক্ষে ইরানের বিরুদ্ধে মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ শুরু করেছে। তাদের উদ্দেশ্য ইরানি জাতিতে আত্মসমর্পণ করানো। কিন্তু বীরের জাতি ইরানিরা কখনো আত্মসমর্পণ করবে না।  

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ লেগে যাওয়ার আশঙ্কায় মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। এমন আগামী ৩০ মে, পরিস্থিতি সৌদি বাদশাহ সালমান মক্কায় আরব লীগ ও উপসাগরীয় দেশগুলোর জোট জিসিসি সদস্যদের জরুরি বৈঠক আহ্বান করেছে। 

গত বছর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের পরমাণু কর্মসূচিতে স্বাক্ষরিত চুক্তি থেকে একতরফাভাবে বেরিয়ে নতুন অবরোধ আরোপ করলে দু’দেশের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। যদিও চুক্তি স্বাক্ষরকারী অপর দেশ চীন, রাশিয়া, ব্রিটেন এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন এখনো চুক্তিটি বজায় রেখেছে।

সর্বশেষ গত মাসে ইরানের সুসজ্জিত বাহিনী রেভুলেশনারি গার্ডকে সন্ত্রাসবাদী তালিকাভুক্ত এবং চলতি মাসে উপসাগরীয় অঞ্চলে সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করার মাধ্যমে উত্তেজনার আগুনে ঘি ঢালে যুক্তরাষ্ট্র।