• রবিবার, সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৫৪ রাত

নিউজিল্যান্ডে মসজিদে হামলাকারীর বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদের অভিযোগ

  • প্রকাশিত ১১:৫৭ সকাল মে ২১, ২০১৯
ব্রেনটন ট্যারান্ট
ছবি : রয়টার্স

দুবছর ধরেই এমন হামলার পরিকল্পনা করে আসছিলেন বলে জানিয়েছেন ব্রেনটন ট্যারান্ট।

নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে মসজিদে হামলাকারী ব্রেনটন ট্যারান্টের বিরুদ্ধে 'সন্ত্রাসবাদে জড়িত থাকার' অভিযোগ এনেছে দেশটির পুলিশ। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে এ কথা জানানো হয়। 

ট্যারান্টের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যেই ৫১ জনকে হত্যা ও ৪০ জনকে হত্যাচেষ্টার মামলা চলছে। আগামী ১৫ জুন তাকে পরবর্তী শুনানির জন্য আদালতে হাজির করা হবে। 

গত ১৫ মার্চ জুমার নামাজের সময় ক্রাইস্টচার্চের দুটি মসজিদে ঢুকে মুসল্লিদের ওপর গুলি চালায়। এতে ৫১ জন নিহত ও অর্ধ-শতাধিক গুলিবিদ্ধ হন। নৃশংস ওই হত্যাকাণ্ডের দিনই প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে ২৮ বছর বয়সী অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক ট্যারেন্টকে আটক করা হয়।

অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন  ট্যারান্টকে ‘উগ্র ডানপন্থী সন্ত্রাসী’ বলে অভিহিত করেন। হামলাকারীর বর্ণনা অনুসারে, ইউরোপের মাটিতে সরাসরি অভিবাসীদের সংখ্যা কমাতেই এই হামলা চালান তিনি। 

দুবছর ধরেই এমন হামলার পরিকল্পনা করে আসছিলেন বলে জানিয়েছেন ব্রেনটন ট্যারান্ট। হামলার তিনমাস আগেই হত্যাকাণ্ডের সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

তবে নিউজিল্যান্ডই তার হামলার মূল লক্ষ্য ছিল না বলেও উল্লেখ করেন ট্যারান্ট। তার বক্তব্যে ইসলামপন্থি জঙ্গি ও অভিবাসীদের ‘হামলাকারী’ আখ্যা দিয়ে নিউজিল্যান্ডে হামলার মাধ্যমে তাদের মনোযোগ আকর্ষণের চেষ্টা করেছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

ব্রেন্টনের মতে, যতক্ষণ পর্যন্ত এই ‘হামলাকারীরা’ তাদের দেশে (অস্ট্রেলিয়া) থাকবে পৃথিবীর কোথাও অস্ট্রেলীয়রা নিরাপদ নন। এমনকি বিশ্বের প্রত্যন্ত অঞ্চলও না। শ্বেতাঙ্গদের জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং শ্বেতাঙ্গ শিশুদের ভবিষ্যত নিশ্চিত করা উচিত বলেও উল্লেখ করেন তিনি। 

ইউরোপ জুড়ে বিদেশি 'হামলাকারী'দের হাতে হাজার হাজার মানুষের মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতেই এই হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি ব্রেনটনের। ২০১৭ সালের সুইডেনের স্টকহোমে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় ১১ বছর বয়সী শিশু এব্বা একেরলান্ডের মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতেও এই হামলা চালানো হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। উজবেকিস্তানের এক অভিবাসী ওই হামলা চালিয়েছিল।