এ বছরের ১৫ মার্চ শুক্রবার জুমার নামাজ চলার সময় চালানো ঐ হামলায় পাঁচজন বাংলাদেশি নিহত হয়েছিলেন।
নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছে নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে মসজিদে হামলাকারী।
ব্রেন্টন হ্যারিসন টারান্টের বিরুদ্ধে আদালতে ৫১ জন মানুষকে হত্যা, ৪০ জনকে হত্যাচেষ্টা এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের একটি অভিযোগসহ মোট ৯২টি অভিযোগ আনা হয়েছে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে টারান্ট।
বিবিসি জানিয়েছে, ক্রাইস্টচার্চ কারাগার থেকে ভিডিও লিঙ্কের মাধ্যমে হাইকোর্টে হাজিরা দেয় টারান্ট।
এ বছরের ১৫ মার্চ শুক্রবার জুমার নামাজ চলার সময় চালানো ঐ হামলায় পাঁচজন বাংলাদেশি নিহত হয়েছিলেন।
নিউজিল্যান্ডে এই প্রথম কারো বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদে জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হলো।
টারান্টের আইনজীবী যখন নিজেকে নির্দোষ দাবি করে তার মক্কেলের দেওয়া বিবৃতি পড়ে শোনান, আদালত কক্ষে তখন ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। অনেকে আবার ডুকরে কেঁদে ওঠেন।
বিচারক বলেছেন, আগামী বছরের ৪ মে পর্যন্ত মামলার কার্যক্রম চলবে, আর ১৬ আগস্ট পরবর্তী শুনানির আগ পর্যন্ত কারাগারে টারান্টের রিমান্ড চলবে।
এপ্রিলে যখন টারান্ট আদালতে হাজিরা দিয়েছিলেন, তাকে মানসিক চিকিৎসা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
কিন্তু এখন আর তার সুস্থতা নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই বলে জানিয়েছেন বিচারক।
এর মধ্যে গত সপ্তাহে টারান্টের ছবি প্রকাশের ওপর যে নিষেধাজ্ঞা ছিল, তা প্রত্যাহার করে নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
হামলার পরই গ্রেপ্তার করা হয় টারান্টকে। এরপর ১৬ মার্চ তাকে প্রথম আদালতে হাজির করা হয়।
হামলার সময় মাথায় স্থাপন করা ক্যামেরা দিয়ে মসজিদে হামলার পুরো ঘটনা সরাসরি ইন্টারনেটে প্রচার করছিল ২৮ বছর বয়সী অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক টারান্ট।
ফুটেজে দেখা যায় সে দুটি মসজিদে নারী, পুরুষ ও শিশুদের ওপর হামলা চালাচ্ছে।
মতামত দিন