• বুধবার, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৪০ রাত

এবার সাংবাদিক ধর্ষণের অভিযোগ ট্রাম্পের বিরুদ্ধে

  • প্রকাশিত ০২:৫৩ দুপুর জুন ২২, ২০১৯
ডোনাল্ড ট্রাম্প
ফাইল ছবি। ছবি: রয়টার্স

‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দৃঢ় ভাবে ঘটনার কথা অস্বীকার করে দাবি করেছেন, এটা ‘ফেক নিউজ’, উনি নতুন একটা বই বিক্রির উদ্দেশ্যেই এসব রটাচ্ছেন,  কেউ যদি প্রমাণ করতে পারেন, ক্যারল বা ওই ম্যাগাজিন ডেমোক্র্যাট পার্টির হয়ে কাজ করছে, তাহলে সামনে আসুন’

মার্কিন প্রেসিডেন্টের যৌন কেলেঙ্কারির অভিযোগের তালিকায় যুক্ত হল আরও এক মহিলার নাম। এ বার ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি ও যৌন নির্যাতনের অভিযোগ আনলেন ই জিন ক্যারল নামে নিউইয়র্কের এক সাংবাদিক বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে আনন্দবাজার।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, নিজের লেখা একটি বইয়ে ক্যারল জানিয়েছেন, প্রায় দু’দশক আগে একটি শপিং মলের ড্রেসিং রুমে তার শ্লীলতাহানি করেন ট্রাম্প। ওই বই প্রকাশের পর একটি ম্যাগাজিনের সাক্ষাৎকারে ফের সেই কাহিনীর বর্ণনা দিয়েছেন তিনি। যদিও সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে ক্যারলের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। বাজারে নিজের বইয়ের চাহিদা বাড়ানোর জন্যই ওই মহিলা মিথ্যে কাহিনি রটাচ্ছেন বলেও দাবি ট্রাম্পের।

বর্তমানে ৭৫ বছর বয়সী ক্যারলের লেখা একটি বই প্রকাশিত হয়েছে। তাতে ওই ঘটনার উল্লেখ করার পরই শোরগোল পড়ে গিয়েছে মার্কিন মুলুকে। এর পর ওয়াশিংটন পোস্টে একটি সাক্ষাৎকারে বিষয়টি ফের উল্লেখ করেছেন ক্যারল।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দৃঢ় ভাবে ঘটনার কথা অস্বীকার করে দাবি করেছেন, এটা ‘ফেক নিউজ’। একই সঙ্গে প্রশ্ন তুলেছেন, ‘‘সেই সময় শপিং মলের কোনও ফুটেজ নেই বা মলের কোনও কর্মী সাক্ষী নেই?’’ একটি বিবৃতি দিয়ে ট্রাম্পের বক্তব্য, ‘‘জীবনে কখনও ওই মহিলার সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ হয়নি। উনি নতুন একটা বই বিক্রির চেষ্টা করছেন। সেই উদ্দেশ্যেই এই সব রটাচ্ছেন। এটা কোনও কল্পকাহিনী বিভাগে বিক্রি হতে পারত।’’ ওই বিবৃতিতেই ট্রাম্পের আহ্বান, কেউ যদি প্রমাণ করতে পারেন, ক্যারল বা ওই ম্যাগাজিন ডেমোক্র্যাট পার্টির হয়ে কাজ করছে, তাহলে সামনে আসুন।

ক্যারলের দাবি অনুযায়ী, ঘটনাটি ১৯৯৫ সালের শেষের দিকে বা পরের বছরের শুরুর দিকের। 

ক্যারলের বক্তব্য, ‘‘ট্রাম্পের সাথে একটি শপিং মলে দেখা হয় তার, তারা একটি ড্রেসিং রুমের কাছে যেতেই ট্রাম্প তাঁকে দেওয়ালের সঙ্গে চেপে ধরেন। সেখানেই তাঁকে চুমু খাওয়ার চেষ্টা করেন, এবং যৌন হেনস্তা করেন। ক্যারলের আরও দাবি, প্রথমে হেসে ট্রাম্পকে নিরস্ত করার চেষ্টা করেন তিনি। তার পর কোনও রকমে ধাক্কা দিয়ে ট্রাম্পকে সরিয়ে দিয়ে দৌড়ে পালিয়ে যান।

নিজের অভিযোগের প্রমাণ হিসেবে সেই সময় দুই বন্ধুর কাছে ঘটনার বিবরণ দিয়েছিলেন বলেও দাবি করেছেন ক্যারল। ওয়াশিংটন পোস্টের তরফে সেই দুই বান্ধবীর একজনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল। তিনিও স্বীকার করেছেন যে, ক্যারল সেই সময় তাঁকে ঘটনার কথা বলেছিলেন। লেখিকার ওই বান্ধবী এও দাবি করেছেন, সেই সময়ই তিনি পুলিশে অভিযোগ দায়েরের পরামর্শ দিয়েছিলেন।