• সোমবার, ডিসেম্বর ১৬, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৬:০৫ সন্ধ্যা

ভারতীয় প্রতিমন্ত্রী: পশ্চিমবঙ্গের মাদ্রাসা ব্যবহার করে জঙ্গি তৎপরতা বাড়ছে

  • প্রকাশিত ০৫:১২ সন্ধ্যা জুলাই ২, ২০১৯
পশ্চিমবঙ্গ মাদ্রাসা
ছবি: সংগৃহীত

চলতি বছরের মে মাসে জেএমবি’কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে ভারতীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও ত্রিপুরার সীমান্ত এলাকায় ঘাঁটি তৈরি করছে জঙ্গিরা

সম্প্রতি শেষ হওয়ার পশ্চিমবঙ্গের লোকসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকে ক্রমাগত হানাহানির ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জি কিষান রেড্ডি বলেছেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গ থেকে অনেক রাজনৈতিক কর্মীর মৃত্যুর খবর এসেছে। রাজ্য সরকারকে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষা করার পরামর্শ দিয়ে চিঠিও পাঠানো হয়েছে।”

আনন্দবাজার পত্রিকা জানিয়েছে, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে শক্তঘাঁটি তৈরি করছে জামায়াতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ (জেএমবি) ও নব্য জেএমবি। মঙ্গলবার (২ জুলাই) পার্লামেন্টে বিষয়টি স্বীকার করেছেন জি কিষান রেড্ডি। গোয়েন্দা সূত্রের বরাতে তিনি জানান, পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান এবং মুর্শিদাবাদ জেলার বেশ কিছু মাদ্রাসাকে ব্যবহার করে জেএমবি এখনও সক্রিয়। তারা নতুন সদস্য নিয়োগ করছে, তরুণদের মগজধোলাই করে জিহাদি কর্মকাণ্ডে দীক্ষা দিচ্ছে। 

জি কিষান রেড্ডি বলেন, ‘‘এসব গোয়েন্দা রিপোর্ট পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে পাঠিয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।’’

উল্লেখ্য, চলতি বছরের মে মাসে জেএমবি-কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে ভারতীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, পশ্চিমবঙ্গ, আসাম এবং ত্রিপুরার সীমান্ত এলাকায় ঘাঁটি তৈরি করেছে সংগঠনটি।

সম্প্রতি জামায়াতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ (জেএমবি)-র আরও এক সক্রিয় সদস্যকে বর্ধমান থেকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে কলকাতা পুলিশ।

আবদুল রহিম নামে ওই জেএমবি সদস্য মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ানের বাসিন্দা। কলকাতা পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্সের গোয়েন্দাদের দাবি, রহিম সংগঠনের ধূলিয়ান ইউনিটের সদস্য এবং ২০১৮ সালের বুদ্ধগয়া বিস্ফোরণের ঘটনায় যুক্ত। কয়েকদিন আগেই নব্য জেএমবির চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছিল কলকাতা পুলিশ। তাদেরমধ্যে তিনজনই বাংলাদেশের নাগরিক বলে জানানো হয়েছিল।