• বুধবার, অক্টোবর ২৩, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:২৭ রাত

ফিলিপাইনে ডেঙ্গুকে মহামারি ঘোষণা

  • প্রকাশিত ০৮:৫৪ রাত আগস্ট ৬, ২০১৯
ডেঙ্গু ফিলিপিন্স
এ বছরের শুরু থেকে ২০ জুলাই পর্যন্ত ফিলিপিন্সে ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়েছেন এক লাখ ৪৬ হাজার মানুষ। ছবি: বিবিসি

রোগীর সংখ্যা যতটা হলে সাধারণত মহামারি ঘোষণা করা হয়, দেশটির আরও সাতটি এলাকায় গত কয়েক সপ্তাহ-জুড়ে তেমন পরিস্থিতি বিরাজ করছে

ফিলিপাইনে ডেঙ্গু রোগে অন্তত ৬২২ জনের মৃত্যুর পর দেশটির কর্তৃপক্ষ সেখানে মহামারি ঘোষণা করেছে।

দেশটির স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বরাত দিয়ে বিবিসি জানায়,  বছরের শুরু থেকে ২০ জুলাই পর্যন্ত এডিস মশা বাহিত এ রোগে আক্রান্ত হয়েছেন এক লাখ ৪৬ হাজার ব্যক্তি। যা গত বছরের তুলনায় ৯৮ শতাংশ বেশি। 

জুলাই মাসেই প্রাথমিকভাবে এই সম্পর্কিত "জাতীয় ডেঙ্গু সতর্কবার্তা" জারি করেছিলো ফিলিপাইন।

দেশটির পশ্চিমে ভিসাইয়াস অঞ্চলে সবচাইতে বেশি ডেঙ্গু রোগী সনাক্ত হয়েছে। শুধু ওই অঞ্চলেই ২৩ হাজারের বেশি মানুষ ডেঙ্গু আক্রান্ত।

রোগীর সংখ্যা যতটা হলে সাধারণত মহামারি ঘোষণা করা হয়, আরও সাতটি এলাকায় গত কয়েক সপ্তাহ-জুড়ে তেমন পরিস্থিতি বিরাজ করছে। 

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে বিশ্বব্যাপী এইবছর ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী ফ্রানসিস্কো দুকু এক বিবৃতিতে বলেছেন, "সারাদেশে মহামারি ঘোষণা করার দরকার হয়েছে এই কারণে যাতে কোন এলাকায় সাহায্য বেশি দরকার সেটি চিহ্নিত করা যায়। স্থানীয় সরকার বিষয়ক ইউনিটগুলোকে সক্রিয় করা দরকার যাতে করে মহামারি চলাকালীন জরুরি তহবিল ব্যবহার করা যায়।"

দেশটির কর্মকর্তারা বলছেন, দেশটিতে ডেঙ্গু রোগের প্রতিষেধক নিয়ে এক ধরনের ভীতি তৈরি হয়েছে। সে কারণেই এটি সামাল দেয়া এখন মুশকিল হয়ে গেছে।

ফরাসি কোম্পানি সানাফির তৈরি একটি টিকা দেয়ার পর ১৪ টি শিশুর মৃত্যুর পর থেকে এমন ভীতি তৈরি হয়। সে কারণে শিশুদের টিকা দিতে আপত্তি করছেন অনেক অভিভাবক। 

যদিও সানাফি এবং স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলছেন টিকার সাথে শিশুদের মৃত্যুর সম্পর্ক রয়েছে এমন কোন প্রমাণ তারা পাননি।

অভিভাবকেরা অন্যান্য সব অসুখের টিকা দিতেও রাজি হচ্ছেন না।

গত বছরই বিষয়টি নিয়ে সতর্ক করেছিল জনস্বাস্থ্য বিষয়ক কর্মকর্তারা। 

উল্লেখ্য, প্রতি বছর বিশ্বে ৪০ লাখ মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়, যার বেশির ভাগই বাস করেন গ্রীষ্মপ্রধান দেশে। শিশুদের মধ্যে এ রোগের সবচেয়ে তীব্রগুলো লক্ষণ দেখা গেছে।