• বুধবার, ডিসেম্বর ১১, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:০০ দুপুর

কাশ্মীর নিয়ে উদ্বেগ জানানোয় নিন্দিত মালালা

  • প্রকাশিত ১১:০৫ সকাল আগস্ট ৯, ২০১৯
মালালা
শান্তিতে নোবেল জয়ী পাকিস্তানি তরুণী মালালা ইউসুফজাই। ছবি: সংগৃহীত

‘আমি কাশ্মীর নিয়ে চিন্তিত কারণ দক্ষিণ এশিয়াই আমার ঘর। ১৮০ কোটি মানুষের সঙ্গে সেই ঘরে আমার বাস, যারমধ্যে কাশ্মীরিরাও আছেন। আমি বিশ্বাস করি, সবাইমিলে শান্তিতে থাকা সম্ভব’

কাশ্মীর নিয়ে মুখ খুলে অনলাইনে কটূক্তির শিকার হয়েছেন মালালা ইউসুফজাই। সেখানে বালুচিস্তান নিয়ে চুপ কেন, পাকিস্তানের সংখ্যালঘুদের নিয়ে চুপ কেন, এইসব প্রশ্নবাণে বিদ্ধ করা হয় তাকে।

বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) টুইটে মালালা লেখেন, ‘‘আমি যখন ছোট, তখন থেকে কাশ্মীর অশান্ত। আমার বাবা-মা যখন ছোট, আমার দাদা-দাদি যখন ছোট, তখন থেকে কাশ্মীর অশান্ত। সাত দশক ধরে কাশ্মীরের শৈশব হিংসার মধ্যে বড় হচ্ছে।... কাশ্মীরের নারী ও শিশুদের কথা ভেবে আমি উদ্বিগ্ন। হিংসার বাতাবরণে সবচেয়ে বেশি বিপন্ন তারাই হন, সংঘাতের পরিবেশে সবচেয়ে বেশি যন্ত্রণা তাদেরই ভোগ করতে হয়। আমি আশা করব, দক্ষিণ এশিয়ার মানুষ, আন্তর্জাতিক মহল ও সংশ্লিষ্ট সবপক্ষ তাদের কথা ভাববেন। যত মতভেদই থাকুক, আমরা যেন মানবাধিকারকে রক্ষা করি, নারী ও শিশুদের সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দিই এবং কাশ্মীর সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধান খুঁজি।’’

পাকিস্তানি নোবেলজয়ী মালালার এই মন্তব্যের পরপরই টুইটারে শুরু হয়ে যায় সমালোচনার ঝড়।

ভারতীয় সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর গৌরব আচার্য লেখেন, ‘‘মালালা আপনি কখনও কাশ্মীর দেখেননি। তবে, আপনার বাড়ি, মানে সোয়াট থেকে বালুচিস্তান কিন্তু বেশি দূর নয়। আপনি যখন ছোট, তখন থেকে বালুচিস্তানও অশান্ত ছিল। আপনার বাবা-মা, দাদা-দাদি যখন ছোট, তখনও বালুচিস্তান অশান্ত। সেসব কি আপনার মনে পড়ছে?’’

এমনকী বালুচিস্তান থেকেও অনেকে গৌরবের সঙ্গে গলা মেলান। কেউকেউ দাবি করেন, নোবেল পুরস্কার পাওয়ার যোগ্যই নন মালালা। অনেকে প্রশ্ন ছুড়ে দেন, কাশ্মীর নিয়ে কিসের এত দরদ মালালার!

মালালার লেখায় অবশ্য এর উত্তর গোড়া থেকেই ছিল। তিনি আগেই লিখেছেন, ‘‘আমি কাশ্মীর নিয়ে চিন্তিত কারণ দক্ষিণ এশিয়াই আমার ঘর। ১৮০ কোটি মানুষের সঙ্গে সেই ঘরে আমার বাস, যারমধ্যে কাশ্মীরিরাও আছেন। আমি বিশ্বাস করি, সবাইমিলে শান্তিতে থাকা সম্ভব। পরস্পরকে আঘাত করে চলার কোনও প্রয়োজন তো নেই।’’