• শুক্রবার, ডিসেম্বর ১৩, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০১:৪১ দুপুর

বিয়ে ছাড়াই সৌদিতে হোটেলে থাকতে পারবেন বিদেশি নারী-পুরুষ

  • প্রকাশিত ০৪:৪৩ বিকেল অক্টোবর ৫, ২০১৯
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদ
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদ। এএফপি

সৌদিতে ভ্রমণ করা নারী পর্যটকদের পোশাকের বিষয়েও দেওয়া হয়েছে শিথিলতা 

সৌদি আরবে পরিবর্তনের হাওয়া বইছে বেশ কয়েক বছর ধরেই। বিভিন্ন ক্ষেত্রে একের পর এক পরিবর্তন এনে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের ধর্মীয় রক্ষণশীল ভাবমূর্তি বদলাতে চাচ্ছে দেশটি। এর জের ধরেই সম্প্রতি বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশের নাগরিকদের জন্য পর্যটন ভিসা খুলে দেওয়া হয়। আর এবার নিয়ম করে দেশটির হোটেলের একই কক্ষে অবিবাহিত বিদেশি নারী-পুরুষদের একসঙ্গে থাকার ব্যবস্থা করে দেওয়া হচ্ছে। 

স্থানীয় সময় শুক্রবার (৪ অক্টোবর) সৌদি আরবের ট্যুরিজম অ্যান্ড ন্যাশনাল হ্যারিটেজ কমিশন সংবাদমাধ্যম ওকাজ'কে এ তথ্য নিশ্চিত করে।

সংবাদমাধ্যমটিকে কমিশন জানায়, সৌদি নাগরিকদের হোটেলে থাকার জন্য তাদের পরিচয়পত্র অথবা নিজেদের মধ্যে সম্পর্কের প্রমাণ দেখাতে হবে। তবে বিদেশি পর্যটকদের জন্য এটির প্রয়োজন হবে না। এছাড়া সৌদিসহ সব নারীরা পরিচয়পত্র দেখিয়ে একাকী হোটেলে থাকার জন্য কক্ষ ভাড়া নিতে পারবেন।  

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, সৌদিতে বিবাহ বহির্ভূত শারীরিক সম্পর্ক নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও, এ ধরনের পদক্ষেপ দেশটিতে বিদেশি পর্যটকদের আকৃষ্ট করবে।  

শুধু তেলের ওপর থেকে অর্থনৈতিক নির্ভরশীলতা কমাতে পর্যটন সেক্টরের দিকে নজর দেয় সৌদি প্রশাসন। এর জের ধরে গত সপ্তাহে দেশটিতে ৪৯ দেশের নাগরিকদের জন্য ভ্রমণ ভিসা খুলে দেওয়া হয়। সৌদিতে ভ্রমণ করা নারী পর্যটকদের পোশাকের বিষয়েও দেওয়া হয়েছে শিথিলতা। স্থানীয় নারীদের মতো তাদের আবায়া'র মতো সারা শরীর ঢেকে রাখা পোশাক পরতে হবে না। তবে পোশাকে শালীনতা বজায় রাখতে হবে। এছাড়া বরাবরের মতো দেশটিতে মদ নিষিদ্ধ থাকবে।  

২০৩০ সালের মধ্যে সৌদি আরব প্রতিবছর ১০ কোটি পর্যটক পাবে বলে আশা করছে দেশটির প্রশাসন।  কিছুদিন আগে পর্যন্তও দেশটি শুধু শ্রমিক, তাদের পরিবারের সদস্য, ব্যবসায়ীদের দেশটিতে ভিসা দিত। এছাড়া প্রতিবছর বিশেষ ভিসায় বিপুল সংখ্যক মুসলিম দেশটিতে হজ ও ওমরাহ করতে যেতেন।