• শুক্রবার, ডিসেম্বর ০৬, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৬:৫১ সন্ধ্যা

প্রেমিককে সঙ্গে নিয়ে মাকে খুন

  • প্রকাশিত ১২:৫৪ দুপুর অক্টোবর ২৯, ২০১৯
কীর্তি রেড্ডী
কীর্তি রেড্ডী

খুন করার পর তিন দিন মায়ের মৃতদেহ বাড়িতেই রেখে দেন তিনি

ভারতের হায়দারাবাদে প্রেমিককে সঙ্গে নিয়ে মাকে খুনের অভিযোগ উঠেছে কীর্তি রেড্ডি নামের এক তরুণীর বিরুদ্ধে। 

গত ২৫ অক্টোবর হায়দারাবাদের হায়াতনগরের রামান্নাপেট রেললাইনের কাছ থেকে মৃতদেহটি উদ্ধার করা হয়।

এ বিষয়ে পুলিশ পরিদর্শক সতীশ সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে জানান, সম্প্রতি রজিতা নামক এক নারীর নিখোঁজ হন। এক সপ্তাহ বাদে গত ২৫ অক্টোবর রামান্নাপেট রেললাইনের কাছে একটি পঁচাগলা মৃতদেহ পাওয়া যায়। ফরেনসিক রিপোর্ট ও ময়নাতদন্তের পরে পুলিশ নিশ্চিত হয় ওই দেহটি রজিতা নামের নিখোঁজ ওই নারীর।

এ ঘটনায় ওই নারীর মেয়ে কীর্তি ও তার প্রেমিক শশীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। কীর্তি স্থানীয় একটি কলেজের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। 

পুলিশ বলছে, তরুণীর বাবা সে সময় বাইরে ছিলেন। নিখোঁজ স্ত্রীর সন্ধানে তিনি বাড়ি আসেন। সে সময় তার মেয়ের বয়ানে অসঙ্গতি মে‌লায় তিনি তাকে নিয়েই থানায় অভিযোগ জানাতে যান। 

পুলিশের ধারণা সম্পর্ক নিয়ে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয় বলে কীর্তি রেড্ডি তার প্রেমিক শশীর সাহায্য নিয়ে মাকে খুন করেন। খুন করার পর তিন দিন মায়ের মৃতদেহ বাড়িতেই রেখে দেন তিনি। পরে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে লাশ রেললাইনে ফেলে আসা হয়।

কীর্তি রেড্ডি প্রাথমিকভাবে জানিয়েছিলেন, তার মা আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন। মদ্যপ অবস্থায় মাকে তার বাবা মারধর করতেন বলে জানান তিনি। কিন্তু তার বয়ানে অসঙ্গতি থাকায় পুলিশের সন্দেহ তার দিকেই ঘনীভূত হয়। অবশেষে তিনি স্বীকার করেন, তিনিই মাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। সেই সময় শশী রজিতার পা ধরে ছিলেন।