• সোমবার, নভেম্বর ১৮, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০১:৩৪ দুপুর

যে গ্রামের সবাই কোটিপতি!

  • প্রকাশিত ০৫:১৪ সন্ধ্যা নভেম্বর ৪, ২০১৯
গ্রাম
ছবি: সংগৃহীত

গ্রামটি এত সমৃদ্ধ যে, এখানে ৭২ তলা বহুতল রয়েছে। শুধু তাই নয়, যেকোনো প্রয়োজনে হেলিকপ্টারও পাওয়া যায় গ্রামটিতে

গ্রাম বললেই ফসলের খেত, কাঁচা রাস্তা, মাটির বাড়ি— এমন ছবিই ভেসে ওঠে। তবে এর কিছু ব্যতিক্রমও রয়েছে। চীনের জিয়াংসু প্রদেশের হুয়াক্সি তেমনই একটি গ্রাম, বিশ্বের সবচেয়ে ধনী গ্রাম হিসেবে খ্যাত  “সুপার ভিলেজ” নামে পরিচিত গ্রামটি বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার দিক থেকে অনায়াসে টক্কর দিতে পারবে বিশ্বের বড় বড় শহরগুলোকেও।

আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৯৬১ সালে গড়ে ওঠা এই গ্রামটি আর পাঁচটা গ্রামের মতোই ছিল। কিন্তু গ্রামটি আধুনিক রূপ পায় দেশটির কমিউনিস্ট পার্টির সাবেক সেক্রেটারি উ রেনবাওয়ের অক্লান্ত প্রচেষ্টায়।

গ্রামটির ভেতরে যারা একসময় চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন, তারা সবাই এখন কোটিপতি। গ্রামের প্রতিটি বাসিন্দার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে রয়েছে কমপক্ষে ১০ লক্ষ ইউয়ান অর্থাৎ ১ কোটি ৮ লক্ষ টাকা।

গ্রামের প্রায় ২ হাজার বাসিন্দার প্রত্যেককের রয়েছে বিলাসবহুল ঘর, গাড়ি। শুধু তাই নয় জীবনযাপনের জন্য সবরকম স্বাচ্ছন্দ্যও দেওয়া হয় তাদের। তবে এজন্য গ্রামের বাসিন্দাদের খরচ করতে হয় না কোনো টাকা পয়সা।

গ্রামটিতে রয়েছে বেশ কয়েকটি বড় বড় শিল্প। যার শেয়ারহোল্ডার গ্রামবাসীরাই। সংস্থার বার্ষিক লাভের এক-পঞ্চমাংশ দেওয়া হয় তাদের। গ্রামটি এত সমৃদ্ধ যে, এখানে ৭২ তলা বহুতল রয়েছে। আছে শপিংমল ও অত্যাধুনিক থিম পার্ক। শুধু তাই নয়, যেকোনো প্রয়োজনে হেলিকপ্টারও পাওয়া যায়। মজার ব্যাপার হচ্ছে, সপ্তাহে সাতদিনই কাজ করতে হয় গ্রামবাসীদের। এমনকি কোনও ছুটিও নেই তাদের। এমনকি জুয়া খেলা, মাদক সবই নিষিদ্ধ। তবে কেউ যদি একবার এই গ্রাম ছেড়ে চলে যান, তা হলে তার সমস্ত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে নেয় গ্রাম প্রশাসন।