• মঙ্গলবার, মার্চ ৩১, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:২১ রাত

সীমান্তে নজরদারি বাড়াতে ইজরায়েলি প্রযুক্তি কিনেছে ভারত

  • প্রকাশিত ০৯:১৯ রাত নভেম্বর ৪, ২০১৯
ভারতীয় সীমান্ত-বিএসএফ
টহলরত বিএসএফ সেনা। ফাইল ছবি। রয়টার্স

ইজরায়েলের কাছ থেকে থার্মাল ইমেজ সেন্সর প্রযুক্তিও কিনেছে বিএসএফ। যারমাধ্যমে মাটি কিংবা পানির নীচে মানুষ, প্রাণী অথবা অন্যকোনও জন্তুর উপস্থিতি চিহ্নিত করা সম্ভব

পশ্চিমবঙ্গের মেঘালয় থেকে কুচবিহার পর্যন্ত বিস্তৃত ধুবরি সেক্টরে নজরদারি বাড়াতে ইজরায়েলের কাছ থেকে বেশকিছু ড্রোন সংগ্রহ করেছে বিএসএফ)৷ পাশাপাশি কেনা হয়েছে থার্মাল ইমেজ প্রযুক্তিও৷ 

রবিবার (৪ নভেম্বর) ভারতীয় গণমাধ্যম দ্য হিন্দু’র প্রকাশিত এক প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে এই খবর জানিয়েছে ডয়েচে ভেলে৷ অবশ্য ঠিক কতগুলো ড্রোন কিনেছে বিএসএফ, সেই তথ্য দিতে পারেনি দ্য হিন্দু৷ তবে প্রতিটি ড্রোনের দাম ৩৭ লাখ রূপি বলে জানিয়েছে তারা৷

ড্রোনগুলো দিন-রাতে দুই কিলোমিটার দূরের ছবিও তুলতে পারে৷ মূলত আসামের ধুবরি সেক্টরে নদী তীরবর্তী সীমান্ত অঞ্চলে পাচার ঠেকানো ও নজরদারির জন্য বিএসএফ এগুলো ব্যবহার করবে৷

বিএসএফ’র গোহাটি সীমান্তের মহাপরিদর্শক পীযুষ মোরিয়া দ্য হিন্দুকে বলেন, “সাধারণত রাতেরবেলায় সীমান্তে নজরদারির বাইরে থাকা কিছু জায়গা দিয়ে পাচারের ঘটনাগুলো ঘটে৷ ড্রোন মোতায়েনের কারণে এখন সেখানকার ছবি পাওয়া যাবে৷ সর্বোচ্চ দেড়শো মিটার উচ্চতা থেকে ড্রোনটি সার্বক্ষণিক ছবি পাঠাতে থাকবে৷”

বিরতিহীনভাবে উড়বার জন্য ড্রোনগুলো বিশেষভাবে তৈরি৷ সাধারণ ড্রোন ৩০ মিনিট ওড়ার পরই ব্যাটারি পরিবর্তনের জন্য নামিয়ে আনতে হয়৷ শক্তিশালী বাতাসে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ারও সম্ভাবনা থাকে৷ কিন্তু বিএসএফ’র কেনা ড্রোনগুলোতে এই সমস্যা হবে না বলে জানান পীযুষ৷

ড্রোনের পাশাপাশি ইজরায়েলের কাছ থেকে থার্মাল ইমেজ সেন্সর প্রযুক্তিও কিনেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী। যারমাধ্যমে মাটি কিংবা পানির নীচে মানুষ, প্রাণী অথবা অন্য কোনও জন্তুর উপস্থিতি চিহ্নিত করা সম্ভব হবে৷ যেসব জায়গায় বিএসএফ সদস্যরা নৌযানের মাধ্যমেও পৌছাতে পারে না সেখানে এই প্রযুক্তি কাজে লাগানো হবে বলে দ্য হিন্দুকে জানান পীযুষ৷

বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের পাঁচটি রাজ্যের চার হাজার ৯৬ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে৷ আসামের সাথে ২৬৩ কিলোমিটার সীমান্তের ১১৯ কিলোমিটারই নদীতীরবর্তী৷ তারমধ্যে ৬১ কিলোমিটার জুড়ে বইছে খরস্রোতা ব্রহ্মপুত্র৷ এই সীমান্তে নজরদারিকেই চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে বিএসএফ৷