• বুধবার, ডিসেম্বর ১১, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৩৯ সকাল

‘বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে ভারতের বাতাসকে দূষিত করছে চীন-পাকিস্তান’

  • প্রকাশিত ০৩:১৬ বিকেল নভেম্বর ৭, ২০১৯
দিল্লির বায়ু দূষণ
সংগৃহীত

বিজেপি নেতা বলেন, ‘হতে পারে তা বিষাক্ত গ্যাস কোনও প্রতিবেশীদেশ থেকেই পাঠানো হচ্ছে। আমাদের ভয় পায় বলেই এমনটা করা হচ্ছে। আমার মনেহয়, চীন বা পাকিস্তান আমাদের ভয় পায়’

ভারতের বাতাসকে ভয়াবহরকম বিষাক্ত করার দায়ে চীন ও পাকিস্তানকে জবাবদিহি করা উচিৎ বলে মনে করেন বিনীত আগরওয়াল সারদা নামের ভারতের উত্তরপ্রদেশের এক বিজেপি নেতা। মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) এএনআই’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এই দাবি করেন।

তিনি বলেন, “এইযে বিষাক্ত বাতাস আসছে, বিষাক্ত গ্যাস আসছে, হতে পারে তা কোনও প্রতিবেশীদেশ থেকেই পাঠানো হচ্ছে। আমাদের ভয় পায় বলেই এমনটা করা হচ্ছে। আমার মনেহয়, চীন বা পাকিস্তান আমাদের ভয় পায়। তাই পাকিস্তানই কোনও বিষাক্ত গ্যাস পাঠাচ্ছে কিনা আমাদের গভীরভাবে দেখা উচিৎ।”

বিনীত আগরওয়াল বলেন, “পাকিস্তান যখনই ভারতের সাথে যুদ্ধ করতে এসেছে, তারা হেরেছে। নরেন্দ্র মোদী আর অমিত শাহ ক্ষমতায় আসার পর থেকে তো তাই পাকিস্তান রীতিমতো হতাশায় ভুগতে শুরু করেছে।”

একইসাথে, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীসহ কিছু মানুষ বলার চেষ্টা করছেন যে খড় পোড়ানো আর শিল্পখাত থেকে ধোঁয়া নির্গমনের জন্য বাতাস দূষিত হচ্ছে। কৃষকরাই আমাদের দেশের মেরুদণ্ড। কাজেই, কৃষক আর শিল্প কোনটাকেই আপনি দোষারোপ করতে পারেন না।”

নরেন্দ্র মোদীকে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ আর অমিত শাহের সাথে অর্জুনের তুলনা করে বিনীত আরও বলেন, “এখন ভারতে শ্রীকৃষ্ণ আর অর্জুনের সময় চলছে। মোদীজি কৃষ্ণ আর অমিত শাহ অর্জুন, আর এই দুইজন মিলে ভারতের দেখা-শোনা করছেন।” 

গত ২৭ অক্টোবর দেওয়ালির অনুষ্ঠানের পর রাজধানী নয়াদিল্লি ও এর আশপাশের এলাকাগুলো মারাত্মক বায়ুদূষণের শিকার। এতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে ওই এলাকার জনজীবন। গত শুক্রবার থেকে দিল্লিতে জারি রয়েছে জনস্বাস্থ্যগত জরুরি অবস্থা। ওইদিন থেকেই বন্ধ দিল্লির বিদ্যালয়গুলো।