• সোমবার, জানুয়ারী ২০, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:৪৫ রাত

হেগে মিয়ানমারের বিচার শুরু

  • প্রকাশিত ০৬:০১ সন্ধ্যা ডিসেম্বর ১০, ২০১৯
মিয়ানমার-হেগ
নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে ১০ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সময় বেলা ৩টায় বিচারের শুনানি শুরু হয়ে। strong>রয়টার্স

শুনানিতে মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চি সেই সামরিক শক্তির পক্ষে যুক্তি তুলে ধরবেন যারা এক সময় তাকে গৃহবন্দী করে রেখেছিল

মিয়ানমারে রোহিঙ্গা সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের সময় গণহত্যা চালানোর অভিযোগে করা মামলার শুনানি শুরু হয়েছে।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) এই শুনানি শুরু করে জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালত।

শুনানিতে মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চি সেই সামরিক শক্তির পক্ষে যুক্তি তুলে ধরবেন যারা এক সময় তাকে গৃহবন্দী করে রেখেছিল।

মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী বিদ্রোহীদের হামলার জবাবে ২০১৭ সালের আগস্টে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে এক কঠোর বিদ্রোহ দমন অভিযান শুরু করে। এ সময় গণধর্ষণ, হত্যা ও ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়াসহ জাতিগত নির্মূল অভিযান থেকে বাঁচতে সাত লাখের অধিক রোহিঙ্গা পালিয়ে প্রতিবেশী বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়।

মিয়ানমার বিষয়ে জাতিসংঘের ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং মিশনের প্রধান গত অক্টোবর মাসে সতর্ক করে দেয় যে সেখানে গণহত্যার পুনরাবৃত্তির গুরুতর ঝুঁকি রয়েছে। সেই সাথে মিশন জানায়, রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগে আন্তর্জাতিক আইনি অঙ্গনে মিয়ানমারের জবাবদিহি আদায় করা উচিত।


আরও পড়ুন - হেগে যাচ্ছেন সু চি


গণহত্যার অপরাধ বাড়িয়ে দেওয়া বা এতে ইন্ধন দেওয়ার মতো সব কার্যক্রম বন্ধে নিজেদের ক্ষমতা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) এ মামলা করে গাম্বিয়া। তারা ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) পক্ষে এ পদক্ষেপ নিয়েছে।

মিয়ানমারের তৎকালীন জান্তা সরকারের আমলে গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের জন্য লড়াই চালিয়ে ১৯৯১ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পাওয়া সু চি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দ্য হেগে মিয়ানমার প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

মামলার এ সপ্তাহের শুনানি বৃহস্পতিবার পর্যন্ত চলবে।