• রবিবার, এপ্রিল ০৫, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৪:৪৮ বিকেল

আবি: যুদ্ধের ‘নরক’ দর্শন শান্তির আকাঙ্ক্ষা তৈরি করে

  • প্রকাশিত ১০:২৫ রাত ডিসেম্বর ১০, ২০১৯
নোবেল
১০ ডিসেম্বর নরওয়ের রাজধানীর অসলোতে নোবেল শান্তি পুরস্কার গ্রহণ করেন ইথিওপীয় প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ। strong>সংগৃহীত

‘ভালো নেটওয়ার্ক পাওয়ার আশায় কয়েক মিনিটের জন্য ওই স্থান থেকে বের হয়ে এসেছিলাম। কিন্তু ফিরে এসে আমি জানতে পেরেছি আমার পুরো ইউনিট একটি আর্টিলারি আক্রমণে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে’

চলতি বছরে নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী আবি আহমেদ বলেছেন, একজন তরুণ ইথিওপীয় সৈনিক হিসেবে নিজের ভয়াবহ অভিজ্ঞতাগুলো প্রতিবেশী দেশের সাথে দীর্ঘ সংঘাত অবসানে তার দৃঢ় সংকল্প তৈরি করেছিল।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) নরওয়ের রাজধানীর অসলোতে নোবেল শান্তি পুরস্কার গ্রহণ করতে গিয়ে ইথিওপীয় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জড়িত থাকা সবার জন্য যুদ্ধ হলো নরকের প্রতিমূর্তি। আমি তা জানি, কারণ আমি সেখানে ছিলাম এবং ফিরে এসেছি।”

শান্তি ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অর্জনের প্রচেষ্টার জন্য এবং বিশেষত প্রতিবেশী ইরিত্রিয়ার সাথে সীমান্ত সংঘাত নিরসনে নিষ্পত্তিমূলক উদ্যোগের জন্য আবিকে সম্মানজনক এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। সংঘাত চলাকালে তিনি সেনাবাহিনীতে ছিলেন।

সংঘাতের সময়কার স্মৃতিচারণ করে আবি বলেন, “কুড়ি বছর আগে, আমি সীমান্তবর্তী শহর বাডামে একটি ইথিওপীয় সেনা ইউনিটে সংযুক্ত হিসেবে রেডিও অপারেটর ছিলাম। সেখানে ভালো নেটওয়ার্ক পাওয়ার আশায় কয়েক মিনিটের জন্য ওই স্থান থেকে বের হয়ে এসেছিলাম। কিন্তু ফিরে এসে আমি জানতে পেরেছি আমার পুরো ইউনিট একটি আর্টিলারি আক্রমণে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে।”

প্রসঙ্গত, প্রতিবেশী ইরিত্রিয়ার সাথে নিজ দেশের দ্বন্দ্ব সমাধানে ভূমিকা রাখায় চলতি বছর শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান আবি আহমেদ। মনোনয়ন পাওয়া ২২৩ ব্যক্তি এবং ৭৮ প্রতিষ্ঠাকে পেছনে ফেলে মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারটি জেতেন তিনি।