• সোমবার, জানুয়ারী ২০, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:৪৫ রাত

অমিত শাহ: মুসলিমদের কেন নাগরিকত্ব দেবো?

  • প্রকাশিত ১০:১৮ সকাল ডিসেম্বর ১২, ২০১৯
অমিত শাহ-amit shah
ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ। ফাইল ছবি সংগৃহীত

‘প্রতিবেশী তিন দেশের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম। সেকারণে শরণার্থী হিসেবে আসা তিনদেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। নাহলে নিপীড়নের শিকার মানুষগুলো কোথায় যাবে?’

ভারতের বিতর্কিত নাগরিকত্ব বিল নিয়ে বর্তমান বিজেপি সরকারের মনোভাব রাজ্যসভায় আরও স্পষ্ট করে দিয়েছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বুধবার (১১ ডিসেম্বর) তিনি জানান, সারাদুনিয়া থেকে যদি মুসলমানেরা এসে ভারতের নাগরিকত্ব চান, তাহলে তা দেওয়া সম্ভব নয়।

দেশটির বিরোধীদলগুলোর মতে, এই বিল হলো বিজেপি সরকারের আগ্রাসী হিন্দুত্ববাদী নীতির পরিচায়ক। তবে, বিজেপি’র পাল্টা যুক্তি, দলের ইশতেহারেই বিলটি আনা হবে বলে উল্লেখ ছিলো। আর এখন সেই প্রতিশ্রুতিই রক্ষা করছে সরকার। এক প্রতিবেদনে এসব খবর জানিয়েছে আনন্দবাজার।

বিরোধী শিবিরের তীব্র প্রতিবাদ, হাড্ডাহাড্ডি লড়াই সত্ত্বেও বুধবার ভারতের রাজ্যসভায় পাস হয়েছে “নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল (সিএবি)”। এখন রাষ্ট্রপতি স্বাক্ষর করলেই বিলটি আইনে পরিণত হবে। এরফলে আরও মসৃণ হবে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে ভারতে আসা “অ-মুসলিম” শরণার্থীদের নাগরিকত্ব পাওয়ার পথ। ২০১৪-র ৩১ ডিসেম্বর বা তার আগে থেকে তারা ভারতে শরণার্থী হিসেবে বাস করলেই নাগরিকত্বের জন্য আবেদন জানাতে পারবেন। অবৈধভাবে বসবাস করার জন্য আবেদনকারীদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি তদন্ত হবে না বলেও ভরসা দিয়েছেন শাহ। 

বিল পাস হওয়ার পর দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, “সমবেদনা ও সৌভ্রাতৃত্বের যে-সংস্কৃতি আমাদের রয়েছে, এই বিলটি তার মাইলফলক।”

অন্যদিকে, রাজ্যসভায় শাহ পাল্টা প্রশ্নে বলেন, “গোটাদুনিয়া থেকেই যদি মুসলিমরা এসে এদেশে নাগরিকত্ব চান, তাদের সবাইকে কি নাগরিকত্ব দিয়ে দেবো? কী করে দেবো। দেশ কীভাবে চলবে, এভাবে চলতে পারে না।” 

তিনি বলেন, “প্রতিবেশী তিন দেশের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম। সেকারণে শরণার্থী হিসেবে আসা তিনদেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। নাহলে নিপীড়নের শিকার মানুষগুলো কোথায় যাবে?”