• বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৪৯ রাত

আসামে ক্ষোভের আগুন এভাবে ছড়াবে, ভাবেনি ভারত!

  • প্রকাশিত ১১:১১ সকাল ডিসেম্বর ১৫, ২০১৯
আসাম
আসামে বিক্ষোভকারীদের দিকে গুলি ছুঁড়ছেন এক পুলিশ সদস্য। এএফপি

আবার আসামে খোদ বিজেপির’ই সরকার থাকায় সেখানে প্রাণহানির ঘটনায় রীতিমতো অস্বস্তিতে পড়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার

বিক্ষোভের আগুন যে এভাবে স্বতঃস্ফূর্তভাবে আসামজুড়ে ছড়িয়ে যাবে তা সম্ভবত ভাবতে পারেনি ভারতের সরকার। পরিস্থিতি মোকাবিলায় যতক্ষণে পূর্ণ উদ্যমে নামলেন ততক্ষণে নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদ জানিয়ে নিহত হয়েছেন একাধিক মানুষ। আবার আসামে খোদ বিজেপির’ই সরকার থাকায় সেখানে প্রাণহানির ঘটনায় রীতিমতো অস্বস্তিতে পড়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার। এক প্রতিবেদনে এমনটিই জানিয়েছে আনন্দবাজার।

এদিকে, বিক্ষোভ-সংঘর্ষের পরেও মূলত দু’টি কারণকে দায়ী করছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। প্রথমত, আসামে নাগরিকত্ব আইনের পক্ষে আরও আগে থেকেই প্রচার শুরু করা উচিত ছিলো। যাতে তা সর্বস্তরের পৌঁছায়। তড়িঘড়ি করে বিলটি আনায় স্থানীয় পর্যায়ে সেই প্রস্তুতির সময় পাওয়া যায়নি। 

দ্বিতীয়ত, আইন পাস হলে বাঙালিরা (হিন্দু ও মুসলিম) আসামে সংখ্যাগুরু হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে ভূমিপুত্রদের। সেই আশঙ্কা পূরণে কোনও পদক্ষেপই নেয়নি ভারত সরকার। অবশ্য আসামবাসীকে বোঝাতে টুইটারে বার্তা দিয়েছিলেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। 

শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) আবার এক জনসভা থেকে আসামবাসীকে আশ্বস্ত করে দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, ‘‘আমি আসাম ও উত্তর-পূর্বের বাসিন্দাদের আশ্বস্ত করে বলছি তাদের সংস্কৃতি, ভাষা, সামাজিক পরিচয় ও রাজনৈতিক অধিকার কোনটাই নাগরিক আইনের ফলে ক্ষুণ্ণ হবে না।’’ 

অন্যদিকে, বাংলাদেশের দু’জন মন্ত্রী ও জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সফর বাতিলের পর ওই বিলের কারণে আন্তর্জাতিকমহলে চরম অস্বস্তিতে পড়েছে ভারত। একইসাথে, নাগরিকদের দেশটি সফর করা নিয়ে শনিবার সতর্ক করে নির্দেশনা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ফ্রান্স ও ইসরায়েলের মতো ভারতের বন্ধু দেশগুলোও।