• সোমবার, ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:৩৮ দুপুর

দিল্লিতে রাতভর শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

  • প্রকাশিত ১২:৪৯ দুপুর ডিসেম্বর ১৬, ২০১৯
দিল্লি ছাত্র বিক্ষোভ
দিল্লিতে রবিবার সারারাত বিক্ষোভ করেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা এএফপি

পার্শ্ববর্তী তিনটি মুসলিমপ্রধান দেশ বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও পাকিস্তানে অমুসলিম অভিবাসীরা ধর্মীয় সহিংসতার শিকার হলে তাদের ভারতের নাগরিকত্ব দেওয়ার বিষয়টি রয়েছে নতুন আইনে। আইনটি পাস হওয়ার পর থেকে উত্তর ও পূর্ব ভারতের অনেক এলাকায় বিক্ষোভ করছে মানুষ

ভারতের সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে রবিবার অনুষ্ঠিত মিছিলে পুলিশি তাণ্ডবের প্রতিবাদে রাতভর বিক্ষোভ করেছেন দেশটির রাজধানী নয়াদিল্লির বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা।

ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা বিবিসি জানিয়েছে, রবিবার (১৫ ডিসেম্বর) শহরটির একটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পুলিশ ঢুকে শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের মারধর করার প্রতিবাদে মূলত এই বিক্ষোভ হচ্ছে। দিল্লির শিক্ষার্থীদের সমর্থনে ভারতের আরও কয়েকটি জায়গায় শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেছেন বলে জানা গেছে।

বিতর্কিত নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ চলাকালে রবিবার ভারতের রাজধানী দিল্লির একাধিক জায়গায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয় বিক্ষোভকারীদের।

উল্লেখ্য, পার্শ্ববর্তী তিনটি মুসলিমপ্রধান দেশ বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও পাকিস্তানে অমুসলিম অভিবাসীরা ধর্মীয় সহিংসতার শিকার হলে তাদের ভারতের নাগরিকত্ব দেওয়ার বিষয়টি রয়েছে নতুন আইনে।

আইনটি পাস হওয়ার পর থেকে উত্তর ও পূর্ব ভারতের অনেক এলাকায় বিক্ষোভ করছে মানুষ। গত পাঁচ দিনের অস্থিরতায় সেসব জায়গায় মারা গেছে ছয় জন।

নাগরিকত্ব সংশোধন আইনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের জের ধরে পশ্চিমবঙ্গ ও আসামের গৌহাটিসহ ১০টি সংবেদনশীল এলাকায় কারফিউ জারি রয়েছে।

আসামে মানুষ যেন নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনতে পারে সেজন্য কারফিউ শিথিল করা হয় শনিবার। সেখানে সোমবার পর্যন্ত মোবাইল ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

গত দুই দিনে বিক্ষোভকারী এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংঘর্ষে আসামে এ পর্যন্ত ২৭ জন আহত হয়েছে। এদের মধ্যে ১৩ জন গৌহাটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

দিল্লির সংঘর্ষ

জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের সময় পুলিশের সাথে সংঘর্ষ হয় তাদের।

তবে কীভাবে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয় তা এখনো পরিষ্কারভাবে জানা যায়নি। বিক্ষোভকারীদের পক্ষ থেকে পুলিশের দিকে পাথর ছুড়ে মারা হলে তারা টিয়ার গ্যাস মেরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে।