• বুধবার, ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৯:২৭ রাত

ভারতে জনতা-পুলিশ সংঘর্ষে উত্তরপ্রদেশে নিহত ১১

  • প্রকাশিত ১০:০৫ সকাল ডিসেম্বর ২১, ২০১৯
নাগরিকত্ব সংশোধনী
ভারতে নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ চলাকালে জনতা-পুলিশ সংঘর্ষে উত্তরপ্রদেশের অন্তত ২০ জেলায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গিয়েছেন ৬জন < strong>এএফপি

অভিযোগ উঠেছে, শুক্রবারের সংঘর্ষে কোনও প্রমাণ ছাড়াই আটক ও গ্রেফতার করছে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। রাজ্যটির বহু জেলায় বন্ধ রয়েছে মোবাইল, ইন্টারনেট

ভারতে নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ চলাকালে জনতা-পুলিশ সংঘর্ষে উত্তরপ্রদেশের অন্তত ২০ জেলায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গিয়েছেন ১১জন। শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) যোগী আদিত্যনাথের রাজ্যে সহিংসতায় ৬জন নিহত। এক প্রতিবেদনে এখবর নিশ্চিত করেছে আনন্দবাজার।

উত্তরপ্রদেশ প্রশাসন সূত্রে খবর, শুক্রবার বিভিন্ন জেলায় জনতা-পুলিশ সংঘর্ষে শুধুমাত্র মেরঠেই নিহত হয়েছেন চারজন। ওই সংঘর্ষের মধ্যে পড়েই পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় এক নাবালকের। জেলায় জেলায় সংঘর্ষে আহত হয়েছেন বহু মানুষ। 

পুলিশ সূত্রে খবর, অন্তত ছ’জন পুলিশকর্মীর গুলি লেগেছে। তাদের অবস্থা গুরুতর।

 রাজ্য পুলিশের ডিজি ওপি সিংহের দাবি, পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে জনতা। তবে সেই দাবিকে নস্যাৎ করে দিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া কয়েকটি ভিডিও। তাতে দেখা গিয়েছে, জনতা-পুলিশ খণ্ডযুদ্ধের সময় গুলি চালাচ্ছে উত্তরপ্রদেশের পুলিশকর্মীরা। গুলিচালনা ছাড়াও সংঘর্ষের সময় পাথর ছোড়া ও পুলিশের একাধিক গাড়িতে আগুন লাগানোর ঘটনাও ঘটে।

মেরঠের এডিজি-র দাবি, গুলিতে দু’জন পুলিশ আহত হয়েছেন। উত্তরপ্রদেশে শুক্রবার সহিংসতায় বাঙালিদের জড়িত থাকার সম্ভাবনার কথাও বলেছেন ডিজি। তার বক্তব্য, ‘‘আমরা বহিরাগতদের জড়িত থাকার প্রমাণ পেয়েছি। অনেকে বাংলায় কথা বলছিলো। তদন্ত করে দেখা হবে, তারা পশ্চিমবঙ্গ থেকে এসেছিলো কি না।’’

পুরো উত্তরপ্রদেশে শুক্রবারের সংঘর্ষে অন্তত ৫০ জন পুলিশ গুরুতর আহত হয়েছেন। অভিযোগ উঠেছে, প্রমাণ ছাড়াই আটক ও গ্রেফতার করছে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। রাজ্যটির বহু জেলায় বন্ধ রয়েছে মোবাইল ও ইন্টারনেট। 

শনিবার (২১ ডিসেম্বর) রাজ্যের সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।