• সোমবার, ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:৪৯ দুপুর

ইরাকের আমন্ত্রণেই বাগদাদ গিয়েছিলেন সোলায়মানি

  • প্রকাশিত ১১:০৯ রাত জানুয়ারী ৬, ২০২০
ইরান
দুনিয়ার এক নম্বর জেনারেল হিসেবে পরিচিত কাসেম সোলাইমানি অত্যন্ত সাদামাটা জীবনযাপন করতেন। রয়টার্স

সৌদি আরব এর আগে ইরাকের মাধ্যমে ইরানকে যে বার্তা দিয়েছিল সে ব্যাপারে তেহরানের জবাব নিয়ে জেনারেল সোলাইমানি বাগদাদ সফরে গিয়েছিলেন

ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আদিল আব্দুল মাহদি বলেছেন, ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ডস বাহিনীর (আইআরজিসি) কমান্ডার মেজর জেনারেল কাসেম সোলাইমানি বাগদাদের আমন্ত্রণেই ইরাক সফরে গিয়েছিলেন এবং শুক্রবার (০৩ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৮টায় তার (ইরাকি প্রধান মন্ত্রী) সঙ্গে সাক্ষাৎ করার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই মার্কিন হামলায় তিনি নিহত হন।

রবিবার (০৫ জানুয়ারি) ইরাকের প্রধানমন্ত্রী দেশটির পার্লামেন্টের বিশেষ অধিবেশনে দেওয়া বক্তব্যে একথা জানান। ওই অধিবেশনে ইরাক থেকে দখলদার মার্কিন সেনা বহিষ্কার করার বিলও পাস হয়।

বক্তব্যে ইরাকের প্রধানমন্ত্রী বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা প্রশমনের উদ্দেশ্যে ইরাকের মধ্যস্থতায় সৌদি আরবের সঙ্গে ইরানের যে সংলাপ চলছিল সে সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করছিলেন জেনারেল সোলাইমানি।  

আদিল আব্দুল মাহদি বলেন, সৌদি আরব এর আগে ইরাকের মাধ্যমে ইরানকে যে বার্তা দিয়েছিল সে ব্যাপারে তেহরানের জবাব নিয়ে জেনারেল সোলাইমানি বাগদাদ সফরে গিয়েছিলেন।

যদিও হামলার মার্কিন নাগরিকদের সুরক্ষার স্বার্থে আত্মরক্ষামূক এমন চূড়ান্ত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে দাবি করে দেওয়া এক বিবৃতিতে পেন্টাগন জানায়, “জেনারেল কাসেম সুলাইমানি ইরাক ও পুরো অঞ্চলে নিয়োজিত আমেরিকান কূটনীতিক ও সেনা সদস্যদের ওপর হামলার পরিকল্পনা করছিল। জেনারেল সুলাইমানি ও তার কুদস বাহিনী আমেরিকান ও জোট বাহিনীর শত শত সদস্যকে হত্যা ও আরও হাজার হাজার জনকে আহত করার জন্য দায়ী।”

গত শুক্রবার (০৩ জানুয়ারি) ভোররাতে বাগদাদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করার সময় সোলায়মানির বহনকারী গাড়ি লক্ষ্য করে মার্কিন হেলিকপ্টার থেকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন আইআরজিসি কমান্ডার মেজর জেনারেল কাসেম সোলাইমানি ও ইরাকে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হাশদ আশ-শাবি’র উপ-প্রধান আবু মাহদি আল-মুহানদিস’সহ ১০ জন।