• শুক্রবার, ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:০২ রাত

ইরাক ছাড়ছে জার্মান সেনারা

  • প্রকাশিত ১০:৫৩ রাত জানুয়ারী ৭, ২০২০
ইরাক
ইরাকে মোতায়েন জার্মান সেনা। এএফপি

জার্মান সরকার ৪১৫ জন সেনা মোতায়েন করে রেখেছে মধ্যপ্রাচ্যে। এরমধ্যে ইরাকে মোতায়েন রয়েছে ১২০ জন। সেই ১২০ সেনার মধ্য থেকে প্রথম ধাপে অন্তত ৩০ জনকে ইরাক থেকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে

ইরাকের সংসদে বিদেশী সৈন্য বহিষ্কারের বিল পাশ হওয়ার পরই সেখান থেকে নিজেদের সৈন্য প্রত্যাহার করতে শুরু করেছে জার্মানি। 

জার্মান সংবাদ সংস্থা ডয়েচে ভেলে জানায়, বিলটি পাশ হওয়ার পরই তারা সৈন্য প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নেয়। তবে একসাথে সব সৈন্য প্রত্যাহার না করে ধীরে ধীরে সৈন্য প্রত্যাহার করবে তারা। 

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম পার্সটুডের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, মার্কিন নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক বাহিনীর সঙ্গে “সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী লড়াইয়ের” জন্য জার্মান সরকার ৪১৫ জন সেনা মোতায়েন করে রেখেছে মধ্যপ্রাচ্যে। এরমধ্যে ইরাকে মোতায়েন করা রয়েছে ১২০ জন। সেই ১২০ সেনার মধ্য থেকে প্রথম ধাপে অন্তত ৩০ জনকে ইরাক থেকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। সেনা সরানোর ব্যাপারে জার্মান সরকার দেশটির সংসদে একটি চিঠি দিয়েছে।

জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেইকো মাস বলেন, আমরা ইরাকের সার্বভৌম সরকারের যেকোন সিদ্ধান্তকে সম্মান করি। সেজন্যই সেখান থেকে আমাদের সৈন্যদের প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কিন্তু সেই সাথে আন্তর্জাতিক সৈনবাহিনী প্রত্যাহার করা হলে সেখানে পুনরায় আইএসআইএস বা দায়েশের মতো সংগঠনগুলো মাথাচারা দিয়ে উঠতে পারে সেদিকেও নজর দেওয়া দরকার।

গত ৩ জানুয়ারি ইরাকের রাজধানী বাগদাদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে মার্কিন ড্রোন হামলায় ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর অভিজাত শাখা কুদস ফোর্সের প্রধান কাসেম সোলেইমানি নিহত হন। এই হত্যাকাণ্ডের পর মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

পরে ৫ জানুয়ারি, ইরাকের সংসদ সদস্যরা সর্বসম্মতিক্রমে জাতীয় সংসদে একটি বিল পাস করেছেন যাতে ইরাক থেকে সমস্ত বিদেশি সেনা প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়। তবে দেশটিতে নিযুক্ত মার্কিন সৈন্যদের এখনই সেখান থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে পেন্টাগন।