• সোমবার, ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ০১:০৬ দুপুর

সপ্তাহে ৬ ঘণ্টা করে ৪ দিন অফিস!

  • প্রকাশিত ০৫:৫৭ সন্ধ্যা জানুয়ারী ৯, ২০২০
অফিস
প্রতীকী

'প্রতিদিন ৬ ঘণ্টা করে সপ্তাহে ৪ কর্মদিবসের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে কর্মজীবীদের কাজের স্পৃহা ও সৃজনশীলতার বিকাশে বিশেষ ভূমিকা পালন করতে পারবে'

সপ্তাহে ৪ দিন কর্মদিবসের প্রস্তাব দিয়েছেন ফিনল্যান্ডের নব-নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী সানা মারিন। ফিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের কয়েকদিন আগে এক  আলোচনা সভায় যোগ দেওয়ার প্রাক্যালে এ বিষয়ে ইতিবাচক মন্তব্য করেছিলেন বলে ব্লুমবার্গ-এর একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

মারিন বলেন, "আমি মনে করি, প্রত্যেকটি মানুষের নিজেদের পরিবার ও কাছের মানুষদের আরও সময় দেওয়ার এবং নিজেদের ইচ্ছাকে প্রাধান্য দেওয়ার অধিকার রয়েছে। এই ধরনের পদক্ষেপ কর্মজীবনে নতুন মাত্রা এনে দিতে পারে। বেঁচে থাকার জন্য কাজ করতে হবে, কাজের জন্য বেঁচে থাকা নয়। প্রতিদিন ৬ ঘণ্টা করে সপ্তাহে ৪ কর্মদিবসের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে কর্মজীবীদের কাজের স্পৃহা ও সৃজনশীলতার বিকাশে বিশেষ ভূমিকা পালন করতে পারবে।"

তবে, এ বিষয়ে আলোচনা হলেও ফিনিস সরকারের কর্মপরিকল্পনায় সপ্তাহে ৪ দিন কর্মদিবস নিয়ে কোনও কার্যক্রম নেই। 

এদিকে সানা মারিনের এই বক্তব্য সারাবিশ্বের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। পৃথিবীর সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রীর এই ধারণা ইউরোপসহ সারাবিশ্বে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে। এমনকি, ফিনল্যান্ডে সপ্তাহে ৪ কর্মদিবসের প্রস্তাবটি আইন হিসেবে জারি করা হয়েছে বলেও কিছু গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়। 

বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরকে বিভ্রান্তিমূলক আখ্যা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী মারিনের কার্যালয়ের এক কর্মকর্তা দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট'কে বলেন, "৬ ঘণ্টা করে সপ্তাহে ৪ দিন কর্মদিবসের প্রস্তাব সম্পূর্ণ ভবিষ্যৎকেন্দ্রিক একটি ধারণা। ক্ষমতাসীন সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টির ভবিষ্যৎ একটি লক্ষ্য হয়ে উঠতে পারে এই প্রস্তাবটি।"

তবে, এই প্রথম নয়, বিগত কয়েক দশক ধরেই মানুষের প্রাত্যহিক কর্মসূচি সহজ করার জন্য বিভিন্ন সময়ে নানা ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ফিনল্যান্ড। এর আগে ১৯৯৬ সালে একটি আইন পাস করে ফিনিস সরকার যার ফলে দেশটির কর্মজীবীরা নিজেদের সুবিধামতো প্রতিদিনের কাজের সময় ৩ ঘণ্টা এগিয়ে কিংবা পিছিয়ে নিতে পারেন।