• শুক্রবার, ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:০৩ সকাল

ইরানি জেনারেল: ৫ হাজার ক্ষেপণাস্ত্র প্রস্তুত ছিল

  • প্রকাশিত ০৯:৫০ রাত জানুয়ারী ৯, ২০২০
ইরান
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা। এএফপি

‘তারা আমাদের চপেটাঘাতের অপেক্ষায় ছিল। থাপ্পড় খাওয়ার পর কিছুটা শান্ত হয়েছে’

প্রাথমিক যুদ্ধ প্রস্তুতি হিসেবে ইরান পাঁচ হাজার ক্ষেপণাস্ত্র প্রস্তুত রেখেছিল বলে জানিয়েছেন ইরানের এলিট ফোর্স ইসলামী রেভ্যুলশনারি গার্ড বাহিনীর (আরআরজিসি) অ্যারোস্পেস ফোর্সের প্রধান আমির আলী হাজিযাদেহ। 

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম প্রেস টিভিকে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি বলেন, “আমরা ইরাকে অবস্থিত দুটি মার্কিন ঘাঁটিতে ১৩টি ক্ষেপণাস্ত্র মেরেছি, তবে আমরা প্রথম কয়েক ঘণ্টায় কয়েকশ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের জন্য প্রস্তুত ছিলাম। আমরা ভেবেছিলাম উভয় পক্ষ সংযম না দেখালে যুদ্ধ সীমিত পর্যায়ে তিন দিন থেকে এক সপ্তাহ সংঘর্ষ চলবে। এ জন্য আমরা কয়েক হাজার ক্ষেপণাস্ত্র প্রস্তুত রেখেছিলাম। ”

ইরানের হামলায় আমেরিকার আইন আল আসাদ ঘাঁটি কমান্ড সেন্টার ধ্বংস হয়ে গেছে জানিয়ে তিনি বলেন, মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ১৫ মিনিট পর আমরা ইলেকট্রনিক যুদ্ধ পরিচালনা করি এবং এর ফলে আমেরিকার ড্রোন ও বিমানগুলো কয়েক মুহূর্তের জন্য নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ে। আর এ ঘটনায় মার্কিন সেনাদের মনোবল ভেঙে যায় এবং হতবিহ্বল হয়ে পড়ে।

হাজিযাদেহ বলেন, মার্কিন বাহিনী সতর্ক ছিল, তারা হামলার আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন ছিল। এ কারণে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আগ পর্যন্ত আমেরিকার ১২টি বিমান ও ড্রোন সব সময় ইরাকের আকাশে নানা তৎপরতা চালাচ্ছিল। তারা আমাদের চপেটাঘাতের অপেক্ষায় ছিল। থাপ্পড় খাওয়ার পর তারা কিছুটা শান্ত হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ডস বাহিনীর (আইআরজিসি) কুদস ফোর্সের কমান্ডার মেজর জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে হত্যার প্রতিশোধ সরূপ গত বুধবার (৮ জানুয়ারি) ইরাকে অবস্থিত দুটি মার্কিন বিমান ঘাঁটিতে ১৩টি বেশি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান। দেশটির দাবি ওই হামলায় ৮০ জন মার্কিন সেনা নিহত ও ২০০ জনের বেশি আহত হয়েছে। 

তবে, যুক্তরাষ্ট্রের চিফ অব স্টাফ জেনারেল মার্ক মাইলি এবং দেশটির প্রতিরক্ষা সচিব মার্ক এসপার সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, পশ্চিম ইরাকের আল-আসাদ ঘাঁটিতে ইরানের ১২টিরও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় মাঝারি ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো নাগরিক নিহত বা আহত হননি।