• সোমবার, ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:৪০ রাত

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারকে সাহায্যের আশ্বাস চীনের

  • প্রকাশিত ১১:১২ সকাল জানুয়ারী ২০, ২০২০
চীন-মিয়ানমার
১৭ জানুয়ারি নেপিদোতে বৈঠক করেন চীনের প্রেসিডেন্ট শিন জিনপিং ও মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর অং সান সুচি। এএফপি

চীনের সাথে এক যৌথ বিবৃতিতে প্রত্যাবাসন বিষয়ক দ্বিপাক্ষিক চুক্তির ভিত্তিতে যাচাইয়ের মাধ্যমে বাস্তুচ্যুতদের ফিরিয়ে নেয়ার বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করেছে মিয়ানমার

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া এবং রাখাইন রাজ্য থেকে বাস্তুচ্যুতদের পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে মিয়ানমারকে তার সামর্থ্যের অনুযায়ী আরও সহায়তা প্রদানের সদিচ্ছার কথা পুনরায় ব্যক্ত করেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট সি জিনপিং।

রবিবার (১৯ জানুয়ারি) মিয়ানমারে চীনের প্রেসিডেন্টের দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শেষে জারি করা চীনের এক বিবৃতিতে এ কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, রাখাইনের রাজ্যের সকল সম্প্রদায়ের জন্য মানবিক পরিস্থিতি, শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়ন প্রচেষ্টা বজায় রাখতে চীন মিয়ানমারের পাশে থাকবে।

দুই দেশের যৌথ এক বিবৃতিতে  প্রত্যাবাসন বিষয়ক দ্বিপাক্ষিক চুক্তির ভিত্তিতে যাচাইয়ের মাধ্যমে বাস্তুচ্যুতদের ফিরিয়ে নেয়ার বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করেছে মিয়ানমার।

বিদ্যমান সমস্যাটির জটিলতা বোঝার জন্য এবং মিয়ানমারকে দেওয়া সকল সহায়তার জন্য চীনকে ধন্যবাদ জানিয়েছে মিয়ানমার।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ২৩ নভেম্বর বাংলাদেশ ও মিয়ানমার একটি প্রত্যাবাসন চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে ২০১৮ সালের ১৬ জানুয়ারি বাংলাদেশ-মিয়ানমার "ফিজিক্যাল অ্যারেঞ্জম্যান্ট" বিষয়ক একটি চুক্তি সই করে।

চুক্তি অনুযায়ী, প্রত্যাবাসন আরম্ভ হওয়া থেকে শুরু করে পরবর্তী দুই বছরের মধ্যে এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।

সকল ধরনের প্রস্তুতি থাকা সত্ত্বেও, গত বছরের ২২ আগস্ট কোনো রোহিঙ্গা "স্বেচ্ছায়" প্রত্যাবাসন করতে রাজি হয়নি। ফলে ওইদিন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রক্রিয়াটি স্থগিত করতে বাধ্য হতে হয়।

২০১৮ সালের ১৫ নভেম্বর রোহিঙ্গাদের প্রথম দলটি মিয়ানমারে ফিরে যাওয়ার কথা থাকলেও "সহায়ক পরিবেশের অভাবে" রোহিঙ্গারা রাখাইন রাজ্যে ফিরে যেতে রাজি না হওয়ায় সে যাত্রায়ও কাউকে পাঠানো যায়নি।