• বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ০২, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:১৫ সকাল

তুরস্কে বিমান বিধ্বস্ত: নিহত ৩

  • প্রকাশিত ১১:৩২ সকাল ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২০
তুরস্ক বিমান
বিধ্বস্ত বিমানটিতে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা ইউএনবি

দুর্ঘটনার পর বিমানবন্দরটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। সেখানকার ফ্লাইটগুলোকে পাঠিয়ে দেওয়া হয় ইস্তাম্বুলের প্রধান বিমানবন্দরের দিকে

দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে তুরস্কের রাজধানী ইস্তাম্বুলে একটি তুর্কি বিমান রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়ে বিধ্বস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এতে তিনজন নিহত এবং ১৭৯ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ইস্তাম্বুলের সাবিহা গোকেন বিমানবন্দরে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

দেশটির পরিবহন মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা ইউএনবি জানিয়েছে, দুর্ঘটনা কবলিত বোয়িং ৭৩৭ বিমানটি ছিল তুরস্কের পেগাসাস এয়ারলাইন্সের। এই এয়ারলাইন্সের নিয়মিত ফ্লাইটটি বন্দর নগরী ইজমির থেকে ১৮৩ জন যাত্রী নিয়ে ইস্তাম্বুলের সাবিহা গোকেন বিমানবন্দরে এসেছিল।

ইস্তাম্বুলের গভর্নর আলী ইয়ারলিকায়া বলেন, পাইলট বিমানটিকে রানওয়েতে ধরে রাখতে ব্যর্থ হলে সেটি রানওয়ে থেকে ৩০ মিটার (৯৮ ফিট) উচ্চতা থেকে ৫০-৬০ মিটার দূরে ছিটকে পড়ে।

ইয়ারলিকায়া বলেন, ‘‘আমরা গভীরভাবে দুঃখিত… তবে আমরা আরও বড় দুর্ঘটনার ঘটতে পারত।’’

বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় ভোরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ফাহেরেটিন কোকা জানান, দুর্ঘটনায় হাসপাতালে তিনজন মারা গেছেন এবং ১৭৯ জন আহত হয়েছেন।

দুর্ঘটনার পর বিমানবন্দরটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। সেখানকার ফ্লাইটগুলোকে পাঠিয়ে দেওয়া হয় ইস্তাম্বুলের প্রধান বিমানবন্দরের দিকে।

তুরস্কের বেসামরিক বিমান পরিবহন এবং এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। বোয়িং বিমানটি কীভাবে ভেঙে পড়ল তা জানার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তারা।

এর আগে গত জানুয়ারিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ থেকে আসা পেগাসাস এয়ারলাইন্সের একটি বোয়িং ৭৩৭ উড়োজাহাজ একই বিমানবন্দরে (ইস্তাম্বুল সাবিহা গোকসেন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর) রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়ে। সেবার কোনো হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও বিমানবন্দরটি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হয়েছিল।

২০১৮ সালের জানুয়ারিতে একটি পেগাসাস বোয়িং ৭৩৭ ট্র্যাবসন বিমানবন্দরের রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়ে সমুদ্রের ধারে নিচে পড়া অবস্থায় আটকে যায়, তখনও কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।