• রবিবার, এপ্রিল ০৫, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৯:৫৮ রাত

সাব-সাহারা অঞ্চলে করোনাভাইরাস আক্রান্ত প্রথম রোগীর সন্ধান

  • প্রকাশিত ১১:১৩ রাত ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২০
করোনাভাইরাস
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে মাস্ক পরে চলাচল করছেন চীনারা। ফাইল ছবি বেইজিং রেলস্টেশন থেকে তোলা। এএফপি

এক ইতালিয়ান নাগরিক ব্যবসায়িক সফরে মিলান থেকে নাইজেরিয়ায় এসে পর দিন অসুস্থ হয়ে পড়েন

বিশ্বের সবচেয়ে দুর্বল স্বাস্থ্য ব্যবস্থার অন্যতম অঞ্চল আফ্রিকার সাব-সাহারায় ঢুকে পড়েছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস (কভিক-১৯) । সেখানকার দেশ নাইজেরিয়ার কর্তৃপক্ষ শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) এ ভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম রোগী পাওয়ার কথা জানিয়েছে।

দুই কোটি মানুষের বসবাস থাকা আফ্রিকার সবচেয়ে বড় শহর লাগোসের স্বাস্থ্য কশনার আকিন আবাইউমি জানিয়েছেন, এক ইতালিয়ান নাগরিক ব্যবসায়িক সফরে বৃহস্পতিবার মিলান থেকে নাইজেরিয়ায় এসে পর দিন অসুস্থ হয়ে পড়েন। বর্তমানে তার অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে এবং কোনও গুরুতর উপসর্গ দেখা দেয়নি।

আবাইউমি আরও জানান, ওই ব্যক্তি নাইজেরিয়ায় আসার পর তার সংস্পর্শে আসা সবাইকে চিহ্নিত করতে কাজ করছেন কর্মকর্তারা।

লাগোসে কোনও প্রাদুর্ভাব ছড়িয়ে পড়লে তা দ্রুত আটকাতে নাইজেরিয়ার স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা পদক্ষেপ জোরদার করছেন বলে আবাইউমি এক বিবৃতিতে উল্লেখ করেছেন। সেই সাথে তিনি লাগোসের বাসিন্দাদের কাশি হওয়া ব্যক্তিদের থেকে দূরত্ব বজায় রাখতে এবং নিয়মিত হাত ধোয়ার মতো ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

কয়েক দিন আগে আফ্রিকার সাহারা অঞ্চলের মিসর ও আলজেরিয়ায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী মেলে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ার উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা ১৩ আফ্রিকান দেশের মধ্যে নাইজেরিয়াকে রেখেছে। কারণ, চীনের সাথে দেশটির সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে বা সেখান থেকে অনেক মানুষ নাইজেরিয়াতে আসেন।

এদিকে, প্রিন্সেস ডায়মন্ড প্রমোদতরীতে কাজ করা দুজন দক্ষিণ আফ্রিকান নাগরিক নতুন ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন। তবে তারা চিকিৎসার জন্য জাপানে থাকছেন। জাহাজটি কোয়ারান্টিন বা পৃথক করে রাখার সময় শেষ হওয়ার পর বৃহস্পতিবার জাপানি কর্তৃপক্ষ দক্ষিণ আফ্রিকাকে এ তথ্য জানিয়েছে। 

দক্ষিণ আফ্রিকা বৃহস্পতিবার রাতে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা প্রাদুর্ভাব শুরুর শহর চীনের উহান থেকে তাদের ১৩০ জনের বেশি নাগরিককে সরিয়ে আনার পরিকল্পনা করেছে। তবে কখন ফিরিয়ে আনা হবে তা বলা হয়নি।