• রবিবার, এপ্রিল ০৫, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ০১:১৮ দুপুর

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে পরীক্ষামূলক ভ্যাকসিন প্রয়োগ শুরু করছে যুক্তরাষ্ট্র

  • প্রকাশিত ০৩:৪৮ বিকেল মার্চ ১৬, ২০২০
করোনাভাইরাস
করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের চিকিৎসায় নিয়োজিতরা পিপিই পরে কাজ করছেন। রয়টার্স

সিয়াটলে অবস্থিত পারমানেনতে ওয়াশিংটন হেলথ রিসার্চ ইনস্টিটিউটে প্রথম একজন রোগীর উপর এটি পরীক্ষামূলকভাবে প্রয়োগ করা হবে

করোনাভাইরাস- কোভিড ১৯ প্রতিরোধের উদ্দেশে তৈরি করা একটি ভ্যাকসিনের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। সোমবার (১৬ মার্চ) এই ভ্যাকসিনটির পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করা হবে বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক যুক্তরাষ্ট্রের এক সরকারি কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এপি।

এপি'র প্রতিবেদনে বলা হয়, এই ভ্যাকসিন তৈরিতে অর্থায়ন করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব হেলথ। সোমবার সিয়াটলে অবস্থিত পারমানেনতে ওয়াশিংটন হেলথ রিসার্চ ইনস্টিটিউটে প্রথম একজন রোগীর উপর এটি পরীক্ষামূলকভাবে প্রয়োগ করা হবে।

তবে, ভ্যাকসিনটি অনুমোদন পেতে এক থেকে দেড় বছর সময় লাগবে বলে দেশটির স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

শুরুতে সুস্থ ৪৫ জন তরুণ স্বেচ্ছাসেবীর ওপর এই ভ্যাকসিনটি প্রয়োগ করা হবে। তবে ভ্যাকসিন প্রয়োগে তাদের করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই কারণ এতে ভ্যাকসিন তৈরিতে ভাইরাসটি ব্যবহার করা হয়নি। এই ভ্যাকসিন প্রয়োগে কোনো খারাপ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয় কিনা সেটি বের করাই আপাতত মূল লক্ষ্য।

সারাবিশ্বের অনেকগুলো রিসার্চ গ্রুপ কোভিড ১৯-এর ভ্যাকসিন আবিষ্কারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তারা নতুন নতুন প্রযুক্তি বিভিন্ন ধরনের ভ্যাকসিন বানানোর চেষ্টা করছেন যা আগের যে কোনো ভ্যাকসিনের তুলনায় কম সময়ে কাজ করবে ও বেশি কার্যকর।

এমনকি অনেক গবেষক সাময়িক ভ্যাকসিন তৈরি করার চেষ্টা করছেন যাতে করে স্থায়ী প্রতিষেধক তৈরি হওয়ার আগে এক কিংবা দুই মাসের জন্য আক্রান্ত ব্যক্তিদের শারীরিক অবস্থা সামাল দেওয়া যায়।

এদিকে করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে সোমবার পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ৫১৬ জনে।

ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্য অনুযায়ী, নতুন এ ভাইরাসে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন বিশ্বের ১ লাখ ৬৯ হাজার ৫৫২ জন।

আক্রান্তদের মধ্যে বর্তমানে ৮৫ হাজার ২৮৩ জন চিকিৎসাধীন এবং ৫ হাজার ৯২১ জন (৭ শতাংশ) আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছেন।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ৭৭ হাজার ৭৫৩ জন (৯২ শতাংশ) রোগী সুস্থ্য হয়ে উঠেছেন এবং ৮ শতাংশ রোগী মারা গেছেন।

গত ১১ মার্চ করোনাভাইরাস সংকটকে মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।