Monday, May 20, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

প্রাণ কাড়ছে স্ট্রিট রেসিং

ঘটনাস্থলেই নিহত হন পাঁচ আরোহীর দু’জন এবং দু’জন আটকা পড়েন বিধ্বস্ত গাড়িটিতে, ধীরে ধীরে মৃত্যুবরণ করেন তারা।

আপডেট : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০৫:০৫ পিএম

আর দশটা দিনের মতোই ছিল সেদিনের শুক্রবার রাত, পার্থক্যের মধ্যে শুধু এটুকুই যে দ্রুতগতিতে ছুটছিল একটি হোন্ডা সিভিক আর বিএমডব্লিইউ। স্ট্রিট রেস চলছিল গাড়ি দুটির মধ্যে। পরিণতি কিন্তু ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস চলচ্চিত্রের মতো হয়নি, প্রাণ হারিয়েছেন মোট চারজন। 

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের বরাতে জানা গেছে, ঘটনাটি ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার ইনল্যান্ড এম্পায়ার এলাকাতে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, রেসের এক পর্যায়ে পাঁচ আরোহীর বিএমডব্লিইউ রাস্তার ডিভাইডারে ধাক্কা দিয়ে বসে। ঘটনাস্থলেই নিহত হন পাঁচ আরোহীর দু’জন এবং দু’জন আটকা পড়েন বিধ্বস্ত গাড়িটিতে, ধীরে ধীরে মৃত্যুবরণ করেন তারা। শুধু একজন দৈবক্রমে বেঁচে যান। 

পুলিশ যতক্ষণে ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পেরেছিল, ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে। ঘটনাস্থলে তারা আবিষ্কার করেন গাড়ির সামনের সিট থেকে ছিটকে বেরিয়ে আসা দু’জনের মৃতদেহ এবং গাড়ির ভেতরে আটকে পড়া অন্য দু’জনের লাশ। সবচেয়ে দুঃখের ব্যাপার হচ্ছে, গাড়িতে যে পাঁচজন আরোহী ছিলেন, তাদের মধ্যে দু’জন ছিলেন বাগদত্তা এবং সাত মাসের গর্ভবতী। এই দু’জনই গাড়িতে আটকা পড়েছিলেন, আর বের হতে পারেননি। পাঁচ আরোহীর সবার বয়সই ২১-এর আশেপাশে হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। 

ঘটনাটির ১০ দিন পার হয়ে গেছে, পুলিশ তারপরেও ওই হোন্ডা সিভিকের খোঁজ করছে। শুধু জানার জন্য যে আদতে কী ঘটেছিল সেদিন। এটি তো শুধু একটি ঘটনা। এরকম ঘটনার অভাব নেই। স্ট্রিট রেসিংয়ের নেশায় প্রায়ই প্রাণ হারাচ্ছে মানুষ। কখনও নিজে মারা যাচ্ছেন, আবার কখনও কেড়ে নিচ্ছেন অন্যের প্রাণ। চলতি বছরের মে মাসে এরকমই এক রেসিংয়ের সময় অন্যের গাড়ির সঙ্গে ধাক্কা দিয়ে বসে এক গাড়ি। সেবার প্রাণ হারিয়েছিল আট ও ছয় বছর বয়সী দুই শিশু।

ক্যালিফোর্নিয়া হাইওয়ে পেট্রোল এখন এ ধরনের ঘটনায় অস্থির। কারণ কিছুতেই গাড়িচালকদের নিয়ন্ত্রণে আনতে পারছেন না তারা। এ বিষয়ে তাদের ভাষ্য হচ্ছে, স্ট্রিট রেসিং এতোটাই বেড়েছে যে বন্ধ করার জন্য যে পরিমাণ লোকবল দরকার, সেটিও নেই তাদের। শুধু ক্যালিফের্নিয়াতেই বছরে সাতশ’রও বেশি স্ট্রিট রেস হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। 


About

Popular Links