Thursday, May 23, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

এবার রুশ সামাজিক মাধ্যমে নিষিদ্ধ মায়ানমার সেনাপ্রধান

অসংখ্য ভিকে ব্যবহারকারী প্রতিষ্ঠানটির কাছে মায়ানমার সেনাপ্রধানের অ্যাকাউন্ট মুছে দেওয়ার জন্য আবেদন করেছিল।

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০৫:৩৮ পিএম

মার্কিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে ব্লক হওয়ার পর, এবার রুশ যোগাযোগ মাধ্যম ভিকে-তেও ব্লক করা হয়েছে মায়ানমার সেনাপ্রধানকে। রুশ সামাজিক যোগযোগ মাধ্যমটিতে সেনাপ্রধান সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লাং-এর যে অ্যাকাউন্টটি ছিল, সেটিতে ফলোয়ার সংখ্যা ছিল ১০ লাখ।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনের বরাতে জানা গেছে, রোহিঙ্গা সংকট ইস্যুতে সেনাপ্রধানকে দায়ী করে জাতিসংঘ। এর পরপরই ২৭ আগস্ট তাকে নিজেদের প্লাটফর্ম থেকে নিষিদ্ধ করে ফেইসবুক। তার আগে থেকেই অবশ্য রুশ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ভিকেতে তার অ্যাকাউন্ট ছিল।

ভিকে মিয়ানমার সেনাপ্রধানকে মায়ানমার ইস্যুর জন্য নয়, ব্যবহারকারীদের অনুরোধের ভিত্তিতে নিষিদ্ধ করেছে নিজেদের প্লাটফর্ম থেকে। অসংখ্য ভিকে ব্যবহারকারী প্রতিষ্ঠানটির কাছে মায়ানমার সেনাপ্রধানের অ্যাকাউন্ট মুছে দেওয়ার জন্য আবেদন করেছিল।


আরও পড়ুন: সেনাপ্রধানসহ ২০ জনকে ব্যান করেছে ফেইসবুক


রাশিয়াভিত্তিক জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ভিকে’র ব্যবহার পদ্ধতি ফেইসবুকের মতোই। এর ব্যবহারকারীরা বার্মিজ, রুশ, ইংরেজিসহ বিভিন্ন ভাষায় পোস্ট দিতে পারে। ব্যবহারকারীরা ভিকে’র মাধ্যমে তথ্য বিনিময়, ছবি পোস্ট, পেজ তৈরি করতে পারে এবং দ্রুত ও বিনামূল্যে মেসেজ আদান-প্রদান করতে পারে। এ মাধ্যমটিতে নিবন্ধিত হতে ব্যবহারকারীদেরকে ইমেইল অ্যাড্রেস সরবরাহ করতে হয়। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির প্রায় ১০ কোটি সক্রিয় ব্যবহারকারী রয়েছে।

ফেইসবুকে মায়ানমারের সেনাপ্রধানের পেজটি ছিল ‘সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লাং’ নামে। ভিকে’র অ্যাকাউন্টটিতেও একই নাম ব্যবহার করা হয়েছিল। সেখানে মায়ানমারের সেনাপ্রধানের সাম্প্রতিক কিছু কর্মকাণ্ডের ছবি পোস্ট করা হয়েছিল। 

গত বছরের ২৫ আগস্ট নিরাপত্তা চৌকিতে আরসার হামলাকে মিয়ানমারের পক্ষ থেকে রোহিঙ্গাবিরোধী অভিযানের কারণ বলা হলেও বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন ও সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, রাখাইন থেকে রোহিঙ্গাদের তাড়িয়ে দিতে এবং তাদের ফেরার সব পথ বন্ধ করতে আরসার হামলার আগে থেকেই পরিকল্পিত সেনা-অভিযান শুরু হয়েছিল। হত্যা-ধর্ষণসহ বিভিন্ন ধারার সহিংসতা ও নিপীড়ন থেকে বাঁচতে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর প্রায় সাড়ে ৭ লাখ মানুষ বাংলাদেশে পালিয়ে আসে।

প্রসঙ্গত ২৭ আগস্ট নিজস্ব এক প্রতিবেদনে রোহিঙ্গা গণহত্যায় সেনাবাহিনীর সংশ্লিষ্টতার কথা তুলে ধরে জাতিসংঘ। প্রতিবেদনটিতে মন্তব্য করা হয়েছিল, সেনা কর্মকর্তাদের অবশ্যই বিচারের আওতায় আনা উচিত। ওই প্রতিবেদনে ছয়জন সেনা কর্মকর্তার নাম উল্লেখ করা হয়, যার মধ্যে সেনাপ্রধানের নামও ছিল।


About

Popular Links