Saturday, May 18, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

অস্ট্রেলিয়া থেকে সার্চ ইঞ্জিন প্রত্যাহারের হুমকি গুগলের

গণমাধ্যমের সংবাদ দেখানোর মাধ্যমে আয়ে গুগল ও ফেসবুক। সেই আয়েরই একটা অংশ গণমাধ্যমকে দেওয়ার আইন তৈরি করতে যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া

আপডেট : ২২ জানুয়ারি ২০২১, ১১:১৭ পিএম

সংবাদ প্রকাশকদের সাথে বৃহদাকার প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর লভ্যাংশ ভাগ করার আইন প্রণয়নের প্রচেষ্টা চালালে এমন হুমকি দেয় গুগল

বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে অস্ট্রেলিয়া গুগল, ফেসবুক এবং অন্যান্য প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের অনলাইন সার্ভিসে সংবাদ শেয়ার বা সার্চ রেজাল্ট দেখানোর মাধ্যমে আয়ের একটা অংশ গণমাধ্যমকে প্রদানের জন্য একটি আইন প্রণয়ন করতে যাচ্ছে। 

কিন্তু মার্কিন সংস্থাটি এর বিরুদ্ধে পাল্টা আইনি লড়াইয়ে যাবে। তারা হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে এই আইন প্রণয়ন করলে তারা অস্ট্রেলিয়া থেকে তাদের কিছু পরিষেবা সরিয়ে নেবে। 

অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন বলেছেন, “আইন প্রণেতারা এইসব হুমকিতে পিছিয়ে যাবে না।”

অস্ট্রেলিয়া প্রণীত নিয়মাবলী গুগল এবং ফেসবুককে তাদের প্লাটফর্মে অন্য সংবাদ মাধ্যমের প্রকাশিত সংবাদ প্রকাশ বা দেখানোর জন্য মূল্য নির্ধারণে মিডিয়া হাউজগুলোর সাথে আপোষের সুযোগ দেবে। 

গুগল অস্ট্রেলিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মেল সিলভা শুক্রবার (২২ জানুয়ারি) সিনেটের শুনানিতে এই আইনগুলোকে তাদের প্রতিষ্ঠানের কাজ করার অনুপযোগী বলেন। 

তিনি আরও বলেন, “যদি এটি আইন হিসেবে প্রণীত হয়, তবে অস্ট্রেলিয়ায় গুগল সার্চ বন্ধ করে দেওয়া ছাড়া আমাদের কোনোবিকল্প থাকবে না।”

কেন অস্ট্রেলিয়া আইনটি প্রণয়ন করতে চায়

গুগল ও ফেসবুকে প্রতিদিন লাখো মানুষ সংবাদ পড়ে এবং দেখে। এক গবেষণায় দেখা গেছে, সংবাদ অনলাইনে পড়তে মানুষ কোনো আলাদা ওয়েবসাইট ব্যবহার না করে ফেসবুক বা গুগল ব্যবহার করে। এছাড়া ইউটিউবে প্রতিদিন কয়েক কোটি মানুষ নিউজ দেখে। এসবের বিনিময়ে এইসব প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান থেকে সংবাদ প্রকাশকগণ আলাদা কোনো লভ্যাংশ পান না। 

অস্ট্রেলিয়ার সরকার যুক্তি দেখিয়েছে যে টেক প্ল্যাটফর্মগুলি এসব সংবাদ গ্রাহকদের কাছ থেকে গ্রাহকদের লাভ করে, তাই তাদের অবশ্যই সংবাদ প্রকাশকদের “ন্যয্য” অর্থ প্রদান করতে হবে।

গুগল বলেছে যে তারা স্থানীয়, মৌলিক সাংবাদিকতার জন্য আর্থিক এবং কারিগরি সহায়তা দিতে চায়।

তবে অস্ট্রেলিয়া এই আইন বাস্তবায়ন করলে গুগলের ব্যাবসায়িক মডেলের ক্ষতি হবে বলে আশঙ্কা করা যাচ্ছে।

About

Popular Links