Friday, June 21, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

সাগরে পড়তে পারে চীনের ভাঙা রকেট

মহাকাশ স্টেশনের কক্ষপথ থেকে ছুটে আসা চীনের একটি রকেটের ভাঙা অংশ আন্তর্জাতিক সমুদ্রসীমানায় পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে চীনের একটি সংবাদমাধ্যম 

আপডেট : ০৬ মে ২০২১, ০৬:১১ পিএম

মহাকাশ স্টেশনের কক্ষপথ থেকে ছুটে আসা চীনের একটি রকেটের ভাঙা অংশ আন্তর্জাতিক সমুদ্রসীমানায় পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে বুধবার (৫ মে) জানিয়েছে চীনের সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল টাইমস। 

তবে পৃথিবীতে পুনরায় প্রবেশের ফলে ব্যাপক ক্ষতিও হতে পারে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে তারা।

"দ্য লং মার্চ ফাইভ-বি" নামের রকেটটি গত ২৯ এপ্রিল হাইনান দ্বীপ থেকে "টিয়ানহে" মডিউল বহন করে চীনের স্থায়ী মহাকাশ স্টেশনে নিয়ে যাচ্ছিল যা মহাকাশ স্টেশনের তিনজন ক্রু'র আবাসস্থল হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ার কথা ছিল।

রকেটটির পৃথিবীতে পুনঃপ্রবেশের বিষয়ে অস্পষ্টতা থাকলেও গ্লোবাল টাইমসের বরাত দিয়ে জানা যায়, রকেটটি নিয়ন্ত্রণের বাইরে রয়েছে এবং পশ্চিমা বিশ্বের ধারণা অনুযায়ী বড় কোনো ক্ষতির কারণও হতে পারে। তবে অভ্যন্তরীণ কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, পরিস্থিতি এখনও "আতঙ্কিত হওয়ার মতো নয়।" 

এ বিষয়ে এরোস্পেস নলেজ ম্যাগাজিনের প্রধান সম্পাদক ওয়াং ইয়ানান বলেন, "পৃথিবীতে প্রবেশের সময় রলেটের বেশিরভাগ ধ্বংসাবশেষ পুড়ে যাবে। হয়ত খুব সামান্য অংশ মাটিতে পড়বে। যা সম্ভাব্যভাবে জনবসতি থেকে দূরে বা সমুদ্র অঞ্চলে পড়বে।" 

প্রতিরক্ষা বিভাগ বলছে, ইউএস স্পেস কমান্ড রকেটের অবস্থানটি পর্যবেক্ষণ করে জানিয়েছে আগামী ৮ মে'র কাছাকাছি সময়ে রকেটটি পৃথিবীতে পড়তে পারে। 

তবে রকেটের ধ্বংসাবশেষ স্পেসফ্লাইট নিরাপত্তা এবং মহাকাশ এলাকার জন্য হুমকিস্বরূপ হতে পারে বলে মনে করছে পেন্টাগন। 

হার্ভার্ড ভিত্তিক জ্যোতির্বিজ্ঞানী জোনাথন ম্যাকডোয়েল বলেন, হাইপারসোনিক গতিতে বায়ুমণ্ডলে প্রবেশের পর যদি তা সমুদ্রের মধ্যে গিয়ে পড়ে বিপদ কেটে যাবে। বিশ্বের প্রায় ৭০ শতাংশই সমুদ্র দিয়ে আচ্ছাদিত তাই সমুদ্রে পড়ার সম্ভাবনাই বেশি।

মহাকাশ বিশেষজ্ঞ সোং ঝংপিংয গ্লোবাল টাইমসকে জানিয়েছেন, রকেটের ফ্লাইট কোর্সের আওতাধীন অঞ্চলগুলোতে চীনের নিজস্ব স্পেস মনিটরিং নেটওয়ার্ক নিবিড় নজরদারী রাখছে এবং অন্যান্য যান চলাচলে যেন ঝামেলা না হয় সেজন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

তিনি আরও বলেন, এই রকেটে ব্যবহৃত পরিবেশবান্ধব জ্বালানী সমুদ্রকে দূষিত করবে না। আসলে এটা পশ্চিমা বিশ্বের "চীন মহাকাশের জন্য হুমকি" সেই কথাটা ছড়ানোর আরেকটা রাস্তা।

About

Popular Links