Monday, May 27, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

কাতার: নারীদের শিক্ষা নিয়ে তালেবানের পদক্ষেপ ‘অত্যন্ত হতাশাজনক’

কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, ‘আমরা তালেবানদের দেখানোর চেষ্টা করছি যে কিভাবে মুসলিম দেশগুলো ইসলামি আইন পরিচালনা করতে পারে, কিভাবে তারা নারীদের সমস্যা মোকাবিলা করতে পারে’

আপডেট : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:৩৯ পিএম

কাতারের শীর্ষ একজন কূটনীতিক বলেছেন, আফগানিস্তানে নারীদের শিক্ষার ব্যাপারে তালেবানের পদক্ষেপ “খুবই হতাশাজনক” এবং “একধাপ পিছিয়ে”। একসঙ্গে কীভাবে একটি ইসলামি রাষ্ট্র পরিচালনা করতে হয় তা দোহাকে দেখে শেখার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) কাতার ভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরা এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুলরহমান আল থানি বলেছেন সম্প্রতি আফগানিস্তানের মাধ্যমিক পর্যায়ে ছেলে শিক্ষার্থী এবং পুরুষ শিক্ষকদের ফেরার অনুমতি দেয় তালেবান সরকার। কিন্তু নারীদের স্কুলে ফেরার অনুমতি দেয়নি। তারা কবে স্কুলে ফিরতে পারবে বিষয়টি স্পষ্টও করেনি। এ নিয়ে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে আফগান তালেবান সরকার। এ ছাড়া নারীদের নতুন সরকারেও রাখা হয়নি। আফগানিস্তানে সম্প্রতি নারী ও মেয়েদের বিষয়ে তালেবান যে পদক্ষেপ নিয়েছে তা খুবই হতাশাজনক। এ ধরনের পদক্ষেপ আফগানিস্তানকে আরও পেছনের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) কাতারের রাজধানী দোহায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান জোসেফ বোরেল এবং কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পরে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে আফগানিস্তান প্রসঙ্গ তুলে ধরেন তারা।

তিনি বলেন, “আফগানিস্তানে সাম্প্রতিক যে কাজগুলো আমরা দেখেছি এর মধ্যে কিছু পদক্ষেপ খুবই হতাশাজনক।”

শেখ মোহাম্মদ বলেন, “আমরা তালেবানদের দেখানোর চেষ্টা করছি যে কিভাবে মুসলিম দেশগুলো ইসলামি আইন পরিচালনা করতে পারে, কিভাবে তারা নারীদের সমস্যা মোকাবিলা করতে পারে। যার একটি বড় উদাহরণ হল কাতার। একটি মুসলিম দেশ আমাদের ব্যবস্থা একটি ইসলামি ব্যবস্থা। আমাদের কর্মক্ষেত্রে, সরকারে এবং উচ্চশিক্ষায় পুরুষের চেয়ে নারীর সংখ্যা বেশি।”

About

Popular Links