Sunday, May 19, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

উত্তেজনার মধ্যেই আর্মেনিয়ায় ন্যান্সি পেলোসি

যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছালেও আজারবাইজান-আর্মেনিয়া দুই প্রতিবেশি দেশের মধ্যে এখনও উত্তেজনা বিরাজ করছে

আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১২:০১ পিএম

আজারবাইজান-আর্মেনিয়া দুই প্রতিবেশি দেশের মধ্যে উত্তেজনার মধ্যেই আর্মেনিয়ায় সফরে গেছেন মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি।

শনিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দেশটির রাজধানী ইয়ারেভানে পৌঁছান পেলোসি। আর্মেনিয়া ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে স্বাধীনতা লাভের পর দেশটিতে পা রাখলেন শীর্ষ কোনো মার্কিন কর্মকর্তা। সফরে পেলোসির সঙ্গে রয়েছেন প্রতিনিধি জ্যাকি স্পিয়ার এবং আনা জি এশু। তারা দুজনই আর্মেনিয়ান আমেরিকান।

মার্কিন দূতাবাস জানিয়েছে, ন্যান্সি পেলোসি তার সফরে আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পেলোসির এই সফর আর্মেনিয়ায় মার্কিন কূটনৈতিক প্রচেষ্টা এবং কৌশলগত নীতির অংশ।

এ প্রসঙ্গে আর্মেনিয়ার স্পিকার অ্যালেন সিমোনিয়ান সাংবাদিকদের বলেছেন, পেলোসির তিন দিনের সফর আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে বড় ভূমিকা রাখবে।

নাগোর্নো-কারাবাখের বিতর্কিত অঞ্চল নিয়ে গত মঙ্গলবার নতুন করে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া। এতে উভয়পক্ষের শতাধিক সেনা নিহত হয়। এরপরই একটি যুদ্ধ বিরতিতে পৌঁছায় বাকু ও ইয়ারেভান।

যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছালেও এখনও উত্তেজনা বিরাজ করছে দুই দেশের মধ্যে। সীমান্তে যেকোনো মুহূর্তে আবারও সংঘর্ষ জড়িয়ে পড়তে পারে দু’দেশের সেনারা।

মঙ্গলবারের সংঘাতের জন্য আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া একে অপরকে দোষারোপ করে আসছে। ২০২০ সালের সংঘাতে উভয়পক্ষের সাড়ে ৬ হাজার সেনা নিহত হয়েছিল।

১৯৮০-এর দশকে সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত থাকার সময় নাগোরনো-কারাবাখ নিয়ে মধ্যে প্রথম দুই দেশের মধ্যে সংঘাতের সূত্রপাত হয়। ওই সময় আন্তর্জাতিকভাবে আজারবাইজানের ভূখণ্ড বলে স্বীকৃত অঞ্চলটি দখল করে আর্মেনিয়ার সেনাবাহিনী। ওই এলাকায় বিপুল সংখ্যক আর্মেনীয় মানুষের বসবাস।

২০২০ সালে লড়াই করে অঞ্চলটি আর্মেনিয়ার কাছ থেকে পুনরায় নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয় আজারবাইজান। রাশিয়ার মধ্যস্থতায় ওই সময় সংঘাতের অবসান হয়েছিল। এর পর থেকে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠার চুক্তির জন্য দুই দেশের নেতারা একাধিকবার মিলিত হয়েছেন।

About

Popular Links