Thursday, May 23, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

প্রেতাত্মার সঙ্গে প্রেম, বিয়ে, এখন 'ডিভোর্স'ও!

 "বিয়ের পরই তার আসল রুপ বেরিয়ে আসে। সে চাইতো না আমি কারও সাথে মিশি"

আপডেট : ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮, ০৬:৩৪ পিএম

চলতি বছরের শুরুতে ৩০০ বছর বয়সী এক প্রেতাত্মাকে বিয়ে করে রীতিমতো ধুন্ধুমার ফেলে দিয়েছিলেন আমান্দা স্প্যারো লার্জ নামের এক আইরিশ নারী। বেশ ধুমধাম করেই করেছিলেন বিয়েটা। কিন্তু বছর না শেষ হতেই শেষ হতে গেল তাদের ‘দাম্পত্য’ জীবন।

জ্যাক নামের ১৮ শতকের এক হাইতিয়ান জলদস্যুর প্রেতাত্মার মধ্যে নিজের ভালবাসা খুঁজে পাওয়ার দাবি করেছিলেন ৪৬ বছরের আমান্দা। তাদের মাঝের এই ‘ভৌতিক সম্পর্ক’ শুরু হয় দু বছর আগে জ্যাক যখন আমান্দাকে প্রথম প্রেম নিবেদন করে। প্রথমে জ্যাকের প্রস্তাবকে পাত্তা না দিলেও, ধীরে ধীরে তার প্রেমে পড়ে যান আমান্দাও। এরপর টানা দু'বছর চুটিয়ে প্রেম করে বিয়ে করেন তারা।

কিন্তু হঠাৎ ঝামেলা বেধে যায় তাদের সংসারে। আগের মতো আর কিছুই ঠিকঠাক নেই। শেষমেশ তাই এই ‘বিচ্ছেদ’-এর সিদ্ধান্ত। বিচ্ছেদের এই ধাক্কা সামলে উঠতে পারেননি তিনি। বিচ্ছেদের কারণ জানতে চাইলে আমান্দা বলেন, "সে আমাকে ব্যবহার করছিল। বিয়ের পরই তার আসল রুপ বেরিয়ে আসে। কারও সাথে ফোনে কথা বলার সময় হঠাৎ ফোনের লাইন কেটে যেত। কারও সাথে দেখা করার কথা থাকলে আমার সেই দিনটি কাটত বাজে ভাবে। সে  চাইতো না আমি কারও সাথে মিশি"। 

একটু সুখের খোঁজেই জাগতিক পুরুষদের বাদ দিয়ে ভালবাসার টানে ঘর বেঁধেছিলেন ‘অশরীরি’ জ্যাকের প্রেতাত্মার সঙ্গে। বেশ সুখের সময়ই কাটিয়েছেন বলে জানান আমান্দা। তবে বিয়ের পর তার পরিবর্তিত রুপ আমান্দার জীবন দুর্বিষহ করে ফেলছিল। তাই বিচ্ছেদের পর তার সতর্কবাণী, প্রেতাত্মার সঙ্গেও প্রেম করবার আগে যথেষ্ট সাবধান হওয়া উচিৎ।

About

Popular Links